ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবেফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান সম্পর্কে জানতে চান? অনেক খোঁজা খুঁজির পরেও
বুঝতে পারছেন না যে কোন সাবান ব্যবহার করবেন? তাহলে এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ে
জেনে নিন কোন সাবান সবচেয়ে ভাল আপনার ত্বকের জন্য।
জন্মের পরে সব শিশুরাই ফর্সা হয়ে থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাদের রঙের পরিবর্তন
দেখা যায়। কেউ হয় ফর্সা কেউ কালো আবার কেউ শ্যামলা হয়ে থাকে। সাধারনত যারা
শ্যামলা বা কালো হয়ে থাকে তারা চায় ফর্সা হতে। এই আর্টিকেল এ আমরা আপনাদের বলব
কোন সাবান ব্যাবহার করে ফর্সা হবেন। সুতরাং আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন।
পেজ সূচিপত্রঃ ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান
- ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান
- ফর্সা হওয়ার জন্য ঘরোয়া উপায়ে সাবান তৈরি উপকরণ
- প্রাকৃতিক ভাবে নিম পাতা সাবান তৈরি এবং ব্যবহার
- কাঁচা হলুদ দিয়ে সাবান তৈরি এবং উপকারিতা
- অ্যালোভেরা সাবানের উপকারিতা
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সাবানের উপকারিতা
- পুরো শরীর ফর্সা করার সাবান
- সাবান নাকি ফেসওয়াশ কোনটি ব্যবহার করবেন
- ফর্সা হওয়ার সাবান ব্যবহারের সুবিধা এবং অসুবিধা
- শেষ কথা (ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান)
ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান
আপনার ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল করতে হলে ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান ব্যবহার
করতে হবে।অনেক মানুষ তাদের চেহারা সুন্দর করার জন্য বিভিন্ন রকম সাবান ব্যবহার
করে থাকেন। কিন্তু দিন শেষে কোন লাভ হয় না। যার কারণ সঠিক সাবান
নির্বাচন। সাবান ব্যবহারে যেমন সুবিধা আছে তোমার অসুবিধা রয়েছে। সঠিক
সাবান নির্বাচন না করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সাবান যেমন ক্ষয় হয় তখন
তেমন ক্ষয় হয়। অনেকের মুখে ব্রণ বাড়া দাগের ফলে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া
আক্রমণ করে থাকে। যার ফলে তাদের ত্বক নষ্ট হতে শুরু করে।
এজন্য আপনাদের ঘরোয়া ভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে সাবান তৈরি করে ব্যবহার করতে
হবে। যার ফলে আপনার ত্বক আরো উজ্জ্বল এবং ফর্সা হবে। যেকোনো সাবানই হোক
না কেন আপনাকে নিয়ম করে ব্যবহার করতে হবে। আপনি যদি অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার
করেন তাহলে আপনার ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শুরু করবে। কোন কিছু অতিরিক্ত ভালো
নয়। মনে রাখবেন সাবান ব্যবহার করা হয় ত্বকের ধুলাবালি দূর করে ত্বককে
উজ্জ্বল এবং সতেজ রাখতে। যাতে করে তাকে কোন প্রকার ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে
না পারে। যার ফলে আপনার ত্বকটি মসৃণ এবং উজ্জ্বল দেখা যায়।
আরও পড়ুনঃ অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব
তাছাড়া আপনি ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। ফেসওয়াশ শুধু মাত্র ফেসের জন্য
তৈরি করা এজন্য এটি ব্যবহার করলে মুখ উজ্জ্বল এবং জীবনুমুক্ত থাকে। তবে
ফেসওয়াশ দেখেশুনে ভালোটি ব্যবহার করতে হবে। কারণ অনেক ধরনের ফেসওয়াস
রয়েছে যেগুলো ত্বকের ক্ষতি করে থাকে। কিছু সাবান রয়েছে যেগুলো আপনার
ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।
ফর্সা হওয়ার জন্য ভাল কিছু সাবানের নাম হলোঃ
- ( D-ne Nano Kojic White / Double Whitening Suite SOAP) এই সাবানে রয়েছে ভিটামিন বি এবং ভিটামিন বি২ যা আপনার ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। এবং যার ফলে কোন ব্রণ বা ফোড়া দূর করে আপনাকে একটি সতেজ লুক দিবে।
- (Kojic Whitening SOAP) এই সাবানে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি৩। সাবানে রয়েছে নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। যার ফলে আপনার ফেসের রোগ বালাই অনায়াসে দূর হবে। এবং ত্বক সবসময় উজ্জ্বল থাকবে থাকবে। এটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে আপনার ত্বক আগের চেয়ে বেশি ফর্সা হতে শুরু করবে।
- (Madam White Rice Milk+ Argan Oil SOAP) এই সাবানে রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, ভিটামিন সি২, কজিস অ্যাসিড, কোকোনাট অয়েল ইত্যাদি। এটি আপনার মুখের ময়লা ব্রণ কালো দাগ ইত্যাদি খুব সহজেই দূর করে দেয়। এটি ব্যবহার করতে থাকলে আপনি অতি দ্রুত ফলাফল পেয়ে যাবেন। আপনার মুখে কোন ধরনের ডার্ক সার্কেল থাকবে না। কোন ধরনের কালো দাগ থাকবে না। আপনার মুখ সতেজ এবং উজ্জ্বল থাকবে।
- (Kojic Papaya- Kojic Acid Plus+) এই সাবানে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। আপনার ত্বককে খুব দ্রুত ফর্সা করার জন্য এটি অনেক উপকারী। এটি ব্যবহার করলে আপনার ত্বকে কোন কালো দাগ থাকবে না আপনার ফেসের রং যদি কালো বা শ্যামলা হয়ে থাকে তা আস্তে আস্তে ফর্সা হতে শুরু করবে। ফর্সা হওয়ার জন্য এটি অনেক জনপ্রিয় একটি সাবান। তবে এটি নিয়ম করে ব্যবহার করতে হবে। যেমন দিনে দুইবার।
ফর্সা হওয়ার জন্য ঘরোয়া উপায়ে সাবান তৈরি উপকরণ
দোকান থেকে কোন সাবান কিনে আনার চেয়ে ঘরোয়া ভাবে প্রাকৃতিক কিছু উপকরণ
নিয়ে সাবান তৈরি করে ব্যবহার করলে বেশি ভালো। কেননা প্রাকিতিক কিছু উপকরন
রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে সাবান তৈরি করলে ত্বক অনেক উজ্জ্বল হয়, কালো দাগ দূর
হয়, কোন ব্রণ থাকে না, মুখ ফর্সা হয় ইত্যাদি।এজন্য ঘরোয়াভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে
সাবান তৈরি করা উত্তম। কিছু প্রাকৃতিক উপকরণ এর নাম নিচে দেওয়া
হলঃ
- নিম পাতা
- কাছা হলুদ
- কমলা লেবু
- গ্লিসারিন সাবান বেজ
- নারিকেল তেল
- লেবুর রস
- অ্যালোভেরা
- লাই
উক্ত উপকরণ দিয়ে তৈরি সাবান অল্প কিছুদিন ব্যবহার করার মধ্যেই আপনি ফলাফল
পাবেন। আপনার ত্বক আগের চেয়ে আরো বেশি উজ্জ্বল হতে শুরু
করবে। ডার্ক সার্কেল দূর হওয়া শুরু করবে। আপনার মুখের রং যদি
শ্যামলা বা কালো হয়ে থাকে তাহলে তা আস্তে আস্তে ফর্সাতে রূপান্তর হতে শুরু
করবে।এটাই হচ্ছে প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে সাবান তৈরি করে ব্যবহারের
সুবিধা।
প্রাকৃতিক ভাবে নিম পাতা সাবান তৈরি এবং ব্যবহার
তৎকালীন সময়ে বাজারজাত কোন পণ্যের ওপর ভরসা করা কিছুটা হলে
ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য ঘরে বসে প্রাকৃতিকভাবে সাবান তৈরি করাই
শ্রেয়। যার ফলে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার কোন ঝুঁকি থাকে
না। নিম পাতা দিয়ে সাবান তৈরি করে ব্যবহার করলে ত্বকের যে কোন
সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। আপনার ত্বকে দীর্ঘদিন যাবত একটি ব্রণের দাগ
রয়েছে যেটা কোনমতে যাচ্ছে না আপনি নিমপাতা দিয়ে সাবান তৈরি করুন এবং সেটি
ব্যবহার করুন দেখবেন ইনশাল্লাহ পরিবর্তন হয়ে যাবে। তাই বলি তকের যেকোন
সমস্যা সমাধানের জন্য নিমপাতা সাবান অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যা আপনার ত্বককে
উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুনঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়
নিম পাতা সাবান তৈরির জন্য প্রয়োজন কিছু পরিষ্কার নিমপাতা, গ্লিসারিন
সাবান বেজ, ভিটামিন ই ক্যাপসুল দুই থেকে তিনটা। নিম পাতা সাবান
বানানোর জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম পাতাগুলোকে পরিষ্কার করে ধুয়ে ব্লেন্ডার বা
পাটাই বেটে একদম পেস্ট করে নিতে হবে। তারপর ব্যাচকে চাকু দিয়ে ছোট ছোট
করে কেটে নিতে হবে। তারপর চুলা ব্যবহার করে গ্লিসারিন সাবান বেজকে ভালো
মতন গলিয়ে নিতে হবে। গলানো হয়ে গেলে গলে যাওয়া গ্লিসারিন সাবান বেজ এবং
নিম পাতার পেস্টটি একটি প্লাস্টিক সাসের মধ্যে মিশ্রণ করতে দিতে
হবে। এর মধ্যে ভিটামিন ই ক্যাপসুল দিয়ে দিতে হবে।
এরপর উক্ত পেস্টটি ঠান্ডা করতে ৩০ মিনিট সময় দিতে হবে। তারপর তৈরি
হয়ে যাবে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি নিমপাতার সাবান। এটি আপনি দিনে দুইবার
ব্যবহার করতে পারবেন। নিয়মিত ব্যবহার করতে থাকলে আপনার ত্বকে কোন কালো
দাগ কোন ধরনের ব্রণ ইত্যাদি থাকবে না। ত্বক ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা
ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবে না। কারন এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি,
ভিটামিন ই।
কাঁচা হলুদ দিয়ে সাবান তৈরি এবং উপকারিতা
ত্বকের যেকোনো রোগ প্রতিরোধের জন্য কাঁচা হলুদ অনেক কার্যকরী। আমরা
সাধারণত কাঁচা হলুদ এবং নিম পাতা পেটে মুখে দিয়ে অভ্যস্ত। শুধুমাত্র
এতোটুকু করে আমরা অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করি আমাদের ত্বকের। কাঁচা
হলুদের রয়েছে ভিটামিন ডি। ত্বকের কোন ব্রণের দাগ, কালো দাগ এবং অন্যান্য রোগ
থেকে মুক্তি দিয়ে থাকে এই কাঁচা হলুদ। তো আসুন জেনে নেওয়া যাক
কিভাবে কাঁচা হলুদ দিয়ে সাবান তৈরি করবেন।
কাঁচা হলুদ দিয়ে সাবান তৈরির জন্য প্রয়োজন পরিস্কার কিছু পরিমাণ কাঁচা
হলুদ, গ্লিসারিন সাবান বেজ, ভিটামিন ই ক্যাপসুল ২ থেকে ৩
টা, থেকে তিন চামচ, লেবুর রস এবং একটি প্লাস্টিক সাস।প্রথমেই
কাঁচা হলুদ গুলো ভালো মতন পরিষ্কার করে ব্লেন্ডার বা পাটাই ভালো মতন বেটে
পেস্ট করে নিতে হবে। তারপর গ্লিসারিন সাবান বেজ কে চুলায় বসিয়ে ভালোমতন
গলিয়ে নিতে হবে। গলে যাওয়া সাবান বেজকে একটি প্লাস্টিক সাসের
মধ্যে রেখে তার মধ্যে ২-৩ চামচ লেবুর রস, কজিক অ্যাসিড পাউডার ২
চামচ, ভিটামিন ই ক্যাপসুল ২ টা এবং কাঁচা হলুদের পেস্টটি ঢেলে ভালো
মতন মিশ্রণ করে নিতে হবে। উক্ত মিশ্রণ কে 30 মিনিট ঠান্ডা করতে হবে।
ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পরে তৈরি হয়ে যাবে কাঁচা হলুদ এর সাবান। যেটি
ব্যবহার করলে আপনার ত্বক কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত
হবে না, ব্রণ দূর হবে, চর্ম রোগের মত মারাত্মক রোগ দূর করা
সম্ভব, ত্বক উজ্জ্বল এবং সতেজ থাকবে, ফর্সা হবে। সুতরাং বুঝতে
পারছেন কাঁচা হলুদ মানুষের ত্বকের জন্য কতটা কার্যকর। সুতরাং আজই ঘরে বসে
তৈরি করে ফেলুন এবং ব্যবহার করা শুরু করে দিন।
অ্যালোভেরা সাবানের উপকারিতা
আমাদের ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা অনেক কার্যকরী। কেননা এলোভেরা আমাদের
ত্বককে গভীর থেকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। ত্বকের কোন রোগ বালাই খুব
সহজেই নিবারণ করে ফেলে এই অ্যালোভেরা। আমরা অনেকেই অ্যালোভেরা সম্পর্কে
অবগত আছি। আবার অনেকেই এত ভরা সম্পর্কে সঠিকভাবে জানি না। অ্যালোভেরাতে
রয়েছে ভিটামিন সি ভিটামিন ডি। অ্যালোভেরা সবসময় আমাদের ত্বককে তাজা
রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের ব্রণ কালো দাগ অতি সহজে দূর করে ফেলে।আসুন জেনে
নেই কিভাবে এলোভেরা দিয়ে সাবান তৈরি করে ব্যবহার করবেন।
অ্যালোভেরা দিয়ে সাবান তৈরির জন্য প্রয়োজন গ্লিসারিন সাবান
পেজ, ভিটামিন ই ক্যাপসুল, এসিড পাউডার, লেবুর রস, অ্যালোভেরা দিয়ে
তৈরি পেস্ট। পরিষ্কার কিছু অ্যালোভেরা সংগ্রহ করে তার ছাল ছাড়িয়ে নিয়ে
সুন্দর মতন পেস্ট বানাতে হবে। তারপর সাবান বেচকে তাপ দিয়ে গলিয়ে একটি
প্লাস্টিক সাবানের মধ্যে রাখতে হবে। গলে যাওয়া সাবানের পেজের মধ্যে উক্ত
অ্যালোভেরার পেস্টকে ঢেলে দিতে হবে। তার মধ্যে আরো মিশ্রণ করতে
হবে এসিড পাউডার, লেবুর রস ২ চামচ, ভিটামিন ই ক্যাপসুল ২ টি। তারপর
ভালো করে মিশ্রণ করে নিতে হবে।
মিশ্রণটিকে ঠান্ডা করার জন্য ৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে। তারপর ঠান্ডা হয়ে
গেলে সেটি ব্যবহারযোগ্য হয়ে যাবে। এভাবেই তৈরি হয়ে
যাবে ব্যবহারযোগ্য অ্যালোভেরা দিয়ে সাবান। এটি আপনি দিনে
দুইবার ব্যবহার করতে পারবেন। অতিরিক্ত ব্যবহার করলে আবার ত্বকের ক্ষতি হতে
পারে। সুতরাং নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করবেন। এটি নিয়মিত ব্যবহার
করতে থাকলে খুব দ্রুত আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং কালো দাগ দূর
হবে।
আরও পড়ুনঃ ঘরে বসে দৈনিক ৫০০ টাকা আয় করুন
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সাবানের উপকারিতা
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সাবান ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এটি আমাদের ত্বককে অনেক
রোগ থেকে সুরক্ষা করে থাকে। ত্বকের ব্রণ কালো দাগ ইত্যাদি অনায়াসে দূর
করে দেয়। ত্বককে সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষা পেতে সাহায্য করে। এটি
ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দেয়। যার ফলে আমাদের ত্বক সতেজ
থাকে, সুন্দর থাকে, দৃঢ়তা বজায় থাকে। আমাদের ত্বকের রঙ্গে আরো
উজ্জ্বল এবং ফর্সা করতে সাহায্য করে।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কিছু সাবানের নামঃ
- লাক্স ল্যাভেন্ডার
- সাম বাই MI V10 ক্লিনজিং বার
- Meril Vitamin C Soap Bar
- ভিটামিন সি এক্সফোলিয়েটিং সাবান
উক্ত সাবান গুলোর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি। যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক
কার্যকরী। আমরা চাইলে উক্ত সাবান গুলো ব্যবহার করতে পারি। উক্ত
সাবানগুলো নিয়মিত ব্যবহার করতে থাকলে আমাদের ত্বক সুরক্ষিত থাকবে। ত্বকের
ডার্ক সার্কেল বা বলি রেখা দূর করতে সাহায্য করে। তবে নিয়মিত ব্যবহার করতে
হবে অতিরিক্ত নয়। যেমন দিনে দুইবার।
পুরো শরীর ফর্সা করার সাবান
ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান কোনটি? পুরো শরীর কিভাবে ফর্সা
করব? আপনারা অনেকেই এ ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন। পুরো শরীর ফর্সা করার
জন্য আপনাকে নিয়মিত সাবান ব্যবহার করতে হবে।এখন প্রশ্ন হল আপনি কি সাবান
ব্যবহার করবেন? ইতিমধ্যে আমরা আর্টিকেলের মধ্যে যে সাবান গুলোর কথা উল্লেখ
করেছি এ সাবান গুলো ব্যবহার করতে পারেন। তবে যেকোনো সাবান ব্যবহার
করলে আপনার শরীরের ক্ষতি হতে পারে। দেখা দিতে পারে। এজন্য উপরে
দেখানো ঘরোয়া ভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে সাবান তৈরির প্রসেস দেখে সাবান তৈরি করে
ব্যবহার করুন।
এটি করলে আপনার শরীর আগের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জ্বল হবে। গায়ের রং কালো
বাসে আমরা থাকলে ফর্সা হতে শুরু করবে। ইত্যাদির দাগ খুব সহজে দূর
করবে। আপনার ত্বকে গভীর থেকে উজ্জ্বল করবে। যেন এটি স্থায়ী
হয়। বাজারজাত কোন পণ্য বা সাবান ব্যবহার করলে হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য
আপনি উজ্জ্বলতা পাবেন। তবে সূর্যের আলোর সংস্পর্শে গেলেই তা যেই কাজ সেই
হয়ে যাবে। এজন্য উপরে বর্ণিত সাবানগুলো ব্যবহার করবেন। এবং অবশ্যই
সান্সক্রিম ব্যবহার করবেন যার ফলে সূর্যের তীব্র রশ্মি আপনার ত্বকের কোন
ক্ষতি করতে পারবেনা।
সাবান নাকি ফেসওয়াশ কোনটি ব্যবহার করবেন
অধিকাংশ মানুষই সাবান ব্যবহার করে থাকেন তবে অনেকেই ফেসওয়াশ ব্যবহার করে
থাকেন। সাবান ব্যবহার করলে দীর্ঘদিন পর দেখা যায় যে আপনার চেহারা খসখসে
হয়ে গেছে। বা কিছু ছোট ছোট দাগ তৈরি হয়েছে সে চেহারায়। যেটি
দীর্ঘদিন সাবান ব্যবহারের জন্য হয়েছে। এজন্য সাবান ব্যবহার করতে হলে দেখে
শুনে সাবান কিনবেন। উপরে বর্ণিত সাবান গুলোর মধ্যে ক্রয় করতে
পারেন। হতে পারে দাম একটু বেশি। অবশ্য ভালো জিনিসের দাম একটু বেশি
হয়। তবে ভালো জিনিসটাই ব্যবহার করা শ্রেয়।যার ফলে আপনার টপ সুরক্ষিত
থাকবে।
অপরদিকে ফেসওয়াশ তৈরি করা হয়েছে শুধুমাত্র মুখে ব্যবহারের
জন্য। ফেসওয়াশ এর মধ্যে অনেক ধরনের ভিটামিন সি পুষ্টি থাকে। যেটি
আপনার ত্বককে ডার্ক সার্কেল মুক্ত করে, ব্রণ মুক্ত কর্ উজ্জ্বলতা বাড়াতে
সাহায্য করে। তবে সব ধরনের ফেসওয়াশ ভালো নয়। যে কোন ফেসওয়াস
ব্যবহার করলে ফেসের ক্ষতি হওয়া সম্ভব না থাকে। এজন্য দেখে শুনে সতর্ক
হয়ে ভালো ফেসওয়াশ ক্রয় করতে হবে।
এখন বাকিটা আপনার ওপর। আপনি ভাল জানেন আপনি কি ব্যবহার করবেন। আপনি
কি সাবান ব্যবহার করবেন নাকি ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন। নাকি আপনি সাবান
ব্যবহারের পর ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন। উপরে কি ব্যবহার করলে কি হবে সবকিছু
ভালো মতন বর্ণনা করা হয়েছে। এখন আপনাকে ভেবে চিন্তে দৃশ্য নিতে হবে আপনি
কি ব্যবহার করতে চলেছেন। সাবান ফেসওয়াশ দুটোই ত্বকের জন্য অনেক কার্যকরী
এবং উপকারীও বটে। তবে দুটো ইউজ করার পর আপনি যদি বাইরে বের হন অবশ্যই মুখে
সান্সক্রিম লাগিয়ে বের হবেন। তাহলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায়
থাকবে।
ফর্সা হওয়ার সাবান ব্যবহারের সুবিধা এবং অসুবিধা
ফর্সা হওয়ার সাবান এর সুবিধাঃ আপনি যদি সঠিক সাবান প্রতিনিয়ত ব্যবহার
করে থাকেন। তাহলে আপনার গায়ের রং পরিবর্তন হতে শুরু করবে। যদি আপনার
গায়ের রং কালো বা শ্যামলা হয়ে থাকে তাহলে তা আস্তে আস্তে ফর্সা এবং উজ্জ্বলতা
শুরু করবে। ত্বকের ডার্ক সার্কেল ব্রণের দাগ বিভিন্ন কালো দাগ ইত্যাদি দূর
হবে। তবে ক্ষতি করার ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারবে না। উক্ত সাবান
ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ থেকে আপনার সব সময় দূরে রাখবে। গভীর থেকে
উজ্জ্বল হতে সাহায্য করবে।
ফর্সা হওয়ার সাবান এর অসুবিধাঃ আপনি যদি সঠিক সাবান নির্বাচন না
করেন। এমনি যে কোন সাবান প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে যান। তাহলে আপনার
ত্বক খসখসে হওয়া শুরু করবে। কিছুদিন পর ছোট ছোট দাগ তৈরি
হবে ত্বকে। বিভিন্ন ধরনের রোগ বালাই হওয়া শুরু করবে। আবার
অতিরিক্ত সাবান ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা
রয়েছে। সুতরাং কোন কিছু অতিরিক্ত ভালো নয়। আপনি যদি সঠিক সাবানও
প্রতিনিয়ত ব্যবহার করেন কিন্তু তা অতিরিক্ত পরিমাণে তাহলে এটা আপনার ত্বকের
জন্য ক্ষতিকর।
শেষ কথা (ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান)
আশাকরি ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান সম্পর্কে আপনাকে জানাতে
পেরেছি। উপরের আর্টিকেলে বলা হয়েছে কোন সাবান ইউজ করলে আপনার ত্বকের
উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং আপনার ত্বক ফর্সা হতে শুরু করবে। এবং ঘরোয়া উপায়
কাঁচা হলুদ, অ্যালোভেরা, নিমপাতা ইত্যাদি প্রাকিতিক উপকরণ দিয়ে কিভাবে
সাবান তৈরি করে ব্যবহার করবেন। যা আপনার ত্বকের জন্য অনেক অনেক
কার্যকরী। কেননা প্রাকৃতিক উপাদান সবসময় আমাদের ত্বকের অনেক উপকার করে
থাকে। ত্বকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখে। ত্বককে
গভীর থেকে উজ্জ্বল করে।
গায়ের রং কালো বা শ্যামলা হলে তা ফর্সা হতে সাহায্য করে। আসলে আমাদের
গায়ের রং যেটা সেটা পরিবর্তন করা অনেক কঠিন। তবে কিছু কিছু সাবান বা
ফেসওয়াশ ব্যবহার করে আমরা সর্বোচ্চ আমাদের ত্বককে খুব বেশি উজ্জ্বল করে তুলতে
পারি যাতে করে আমাদের ত্বকটি সবসময় পরিষ্কার উজ্জ্বল দেখায়। উপরে বর্ণিত
সাবানগুলো তৈরি করে ব্যবহার করলে আশা করা যায় আপনার ত্বক আগের চেয়ে বেশি
উজ্জ্বল এবং ফর্সা হতে শুরু করবে। ধৈর্য সহকারে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।



জীবন মিডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url