কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়

ফ্রি টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্টকি, কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় এই কথা ভাবছেন? নানান ধরনের কাজ করে আপনি ক্লান্ত? এখন চাচ্ছেন অনলাইন থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম করতে। তাহলে এই আর্টিকেল টি আপনার জন্য। আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন এবং জেনে নিন অনলাইন থেকে ফ্রি টাকা ইনকাম করার উপায়।
কিভাবে-ফ্রি-টাকা-ইনকাম-করা-যায়


আসলেই কি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। হ্যা, অনলাইন থেকে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করা যায়। এখন এটা আর কাল্পনিক বিষয় নয়। আসুন নিচের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ে জেনে নেয় কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়।

পেজ সূচিপত্রঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়

কোন বিনিয়োগ ছাড়া কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়? আসলে ফ্রী তে টাকা ইনকাম বলতে আপনাকে কিছু একটা করতে হবে অনলাইনে যার মাধ্যমে আপনার প্যাসিভ ইনকাম হবে। আসলে টাকা ছাড়া মানুষ অসহায়। টাকা ইনকাম না করলে কারো দাম থাকেনা। এজন্যে টাকা ইনকামের গুরুত্ব অনেক বেঁচে থাকতে হলে। অনলাইনে বেশ কিছু প্লাটফরম আছে যেখান থেকে আপনি সহজেই ছোট ছোট কাজ করে ফ্রি টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন। যেমন ঃ
  • Swagbucks
  • Timebucks
  • Neobucks
  • ysense
উক্ত ওয়েবসাইট থেকে আপনি চাইলে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে ছোট ছোট সার্ভে, অ্যাড ক্লিক, ভিডিও দেখে আপনি আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে আপনাকে কোন বিনিয়োগ করতে হবে না। আপনাকে শুধু এই ওয়েবসাইট এ ধুকে আক্তা অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে হবে এবং টাস্কগুলো পূরণ করতে হবে। টাস্ক পূরণ করার সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্ট এ টাকা জমা হয়ে যাবে। তারপর আপনি খুব সহজেই টাকা ডিপোজিট করতে পারবেন। উক্ত সাইটগুলো ফ্রি টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার সেরা মাধ্যম।

মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করার উপায়

ঘরে বসে থেকে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি ইনাকাম সুরু করতে পারেন খুব সহজেই। মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করা অনেক সহজ। বাংলাদেশের প্রায় লাখ লাখ মানুষ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করে থাকে। আপনিও কি তাদের মত কাজ করে টাকা ইনকাম করতে চান? তাহলে যেসকল মার্কেটপ্লেসএ আপনার অ্যাকাউন্ট থাকা জরুরি তা হলোঃ
  • Fiverr
  • Upwork
  • Freelancer.com
  • 99 designs
উক্ত মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে আপনি চাইলে ইনকাম করতে পারবেন। যার জন্য প্রয়োজন হবে আপনাকে যেকোনো একটা বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা। এবং অই সেক্টর এ এক্সপার্ট হওয়া। যার ফলে আপনি এসকল মার্কেটপ্লেস এ আপনি গিগ সার্ভিস অথবা গিগ প্রোজেক্ট প্রদানের পর বায়ার যদি অনুমদন দেয়। তাহলে আপনি ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্স সেবা সমুহ দিতে পারবেন। আর পেমেন্ট আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে নিতে পারবেন।

বাংলাদেশ এখন ফ্রিল্যান্সিং এর দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে আছে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা দিনের পর দিন বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসে কাজ করে চলেছে। এবং হাজার হাজার ডলার ইনকাম করে চলেছে। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস যেমন ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, ইত্যাদিতে কাজ করে চলেছে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা এখন অনেক আপডেট হয়েছে। তারা দিনের পর দিন আরো বেশি স্কিলফুল হচ্ছে যার ফলে তারা ডে বাই ডে আপডেট হচ্ছে এবং অনলাইন এর সাথে কানেক্টেড থেকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে।

ব্লগিং করে ফ্রি ইনকাম

তৎকালীন সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় আয়ের উৎস হল ব্লগিং। ঘরে বসে থেকে টাকা ইনকামের জন্য এর এতো জনপ্রিয়তা। ব্লগিং করার জন্য প্রয়োজন একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট। যা গুগল এ ফ্রিতে পেয়ে যাবেন। গুগলে ব্লগার ওয়েবসাইট ফ্রিতে ক্রিয়েট করা যায়। তারপর আপনি আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে ব্লগ আপলোডের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে পারবেন। আপনার ওয়েবসাইটে যত ট্রাফিক বাড়বে আপনার তত ইনকাম হবে। তাছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট বা কোর্সসমূহ আপনার ওয়েবসাইটে ব্লগের মধ্যে প্রচার করে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

প্রথম প্রথম আপনার ইনকাম এর পরিমাণ কম থাকলেও পরবর্তীতে এখান থেকে অনেক বেশি ইনকামের সম্ভাবনা রয়েছে।তাছাড়া এখান থেকে আপনি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। অন্যান্য কোম্পানির প্রোডাক্ট বা কোর্সের এড আপনার ওয়েবসাইটের ব্লগে ভিউয়ারদের দেখানোর মাধ্যমে ভিউয়াররা যদি আপনার রেফারের মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা কোর্স ক্রয় করে তাহলে আপনি এখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ইনকাম করতে পারবেন। মূলত একে বলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়। যা আপনি আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটের মধ্যে করতে পারবেন।

ব্লগার ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করা এখন অনেক সহজ। এখন ব্লগার ওয়েবসাইট ফ্রিতেই ক্রিয়েট করা যায়।যার জন্য আপনাকে প্রথমে চলে যেতে হবে ব্লগার ডট কম(blogger.com) ওয়েবসাইটে। তারপর জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আপনাকে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। ব্যাস হয়ে গেল।এখন আপনি অনায়াসে আপনার ব্লগ কনটেন্ট এই ব্লগার ওয়েবসাইটের মধ্যে আপলোড করতে পারবেন। তারপর আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে এডসেন্স অন হলে আপনি এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন। মূলত এভাবেই আপনি ফ্রিতে ব্লগার ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে ফ্রি ইনকাম

ঘরে বসে ফ্রি ইনকামের সেরা মাধ্যম হল ইউটিউব। ইউটিউব থেকে খুব সহজেই আপনি অনেক আয় করতে পারবেন। যার জন্য প্রয়োজন আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েট করা এবং সেখানে আপলোড করা ভিডিওর মাধ্যমে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে আপনার ইনকাম নির্ভর করবে আপনার ভিউয়ারদের ওয়াচ টাইম এর ওপর। যার জন্য আপনার নির্দিষ্ট পরিমাণ সাবস্ক্রাইবার প্রয়োজন। আপনার ভিডিওতে যত বেশি ভিউ আসবে আপনার তত ইনকাম হবে।
কিভাবে-ফ্রি-টাকা-ইনকাম-করা-যায়


যার জন্য আপনাকে ভেবে ভেবে সেরা কনটেন্টের ওপর ভিডিও মেক করে আপলোড করতে হবে। এবং চেষ্টা করতে হবে মানুষের সমস্যার সমাধান দেওয়ার। কারণ মানুষেরা সমস্যার সমাধান খুঁজতে আসে। আপনি যত বেশি মানুষের সমস্যার সমাধান করবেন আপনার ভিডিওতে তত বেশি ভিউ হবে। এভাবে আপনি ইউটিউব থেকে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাছাড়াও আপনি বিভিন্ন কোম্পানির এডের স্পন্সরসিপ নিয়ে ইনকাম করতে পারবেন। বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে ফ্রি ইনকাম

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর চাহিদা অনেক। ফেসবুক, প্রিন্টারেস্ট, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে আয় করা যায়। আপনি যদি ফেইসবুক বা ইনস্টাগ্রাম এর ফলোয়ার অনেক বেশি থাকে তাইলে আপনি অন্যান্য কোম্পানির পণ্য আপনার নিজের পেইজে প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ইনকাম করতে পারেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং মাধ্যম হলো ফেসবুক। কারণ বাংলাদেশের প্রায় অধিকাংশ মানুষই ফেসবুক ব্যবহার করে অভ্যস্ত। তাই ফেসবুকে মার্কেটিং করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক পেজ বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। ফেসবুকে কনটেন্ট মনিটাইজেশন অন হবার পরে আপনি ফেসবুকের মধ্যে কনটেন্ট আপলোড করেও ইনকাম করতে পারবেন। সুতরাং দেরি না করে আজই শুরু করে দিন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং টাকা ইনকাম করুন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এখন সবেচেয়ে জনপ্রিয় একটি সেক্টর। এই সেক্টর এর মাধ্যমে মানুষ এখন লাখ লাখ টাকা ইনকাম করে চলেছে প্রতিনিয়ত। মানুষের যে কোন বিজনেস তারা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে নিয়ে এসে মার্কেটিং করে ওখান থেকে অনেক লাভবান হচ্ছেন। কারণ তাদের বিজনেস যখন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে নিয়ে এসে মার্কেটিং করতেছে তখন তাদের প্রোডাক্টের রিচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে, অনেক বেশি অর্ডার পাইতেছে, যার ফলে তাদের অনেক সেল আসতেছে। এভাবেই তারা অনেক টাকা ইনকাম করতেছে। 

কন্টেন্ট বা আর্টিকেল রাইটিং করে ইনকাম

বর্তমান সময়ে কনটেন্ট রাইটারের চাহিদা অনেক। বহু কোম্পানি একজন ভালো কনটেন্ট রাইটার খুঁজে বেড়ায়। আপনি চাইলে ঘরে বসে কনটেন্ট লিখতে পারেন। এবং আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারেন। অথবা আপনি আপনার লিখিত কনটেন্ট বিক্রি করতে পারেন। আপনার কনটেন্ট এর মানের উপরে আপনার কনটেন্টের দাম নির্ভর করবে। আপনি যত ভালো কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখতে পারবেন আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেলের দাম ততই বৃদ্ধি পাবে।

কোন কিছুর ডিজাইন করার পূর্বে সেটির কনটেন্ট আগে লিখা হয়। তাহলে বুঝতে পারছেন যে কন্টেন্টের মূল্য কেমন। আপনি যদি কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লিখে আয় করতে চান তাহলে আজই শুরু করে দিন কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লিখা। এখান থেকে আপনি স্বল্প সময় অধিক আয় করতে পারবেন এজন্য কন্টেন্ট আর্টিকেল রাইটিং এর গুরুত্ব অনেক বর্তমান সময়ে।আবার একজন ভালো কনটেন্ট রাইটারের ও অভাব। সুতরাং আপনি যদি ভাল কন্টেন লিখতে পারেন তাহলে আপনি বুঝতেই পারছেন কেমন পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

শুধুমাত্র লেখালেখির জ্ঞান থাকলে আপনি মাসে ভালো পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে অথবা ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি আপনার লেখা প্রকাশ করে ইনকাম করতে পারবেন। ফাইবার, ্ফ্রিল্যান্সার ডটকম সকল মার্কেটপ্লেসে আপনি  গিগ সার্ভিসের মাধ্যমে কন্টেন্ট লিখে ক্লায়েন্টকে দিতে পারবেন। যার ফলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন অনায়েসে। নিছে কিছু বিশ্বস্ত মার্কেটপ্লেস এবং বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া হলো যেখানে আপনি কন্টেন্ট রাইটিং করে ইনকাম করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্ম ব্লগিং ও কনটেন্ট রাইটিং
Upwork (upwork.com) Roar বাংলা (roar.media/bangla) Medium Partner Program (medium.com)
Fiverr (fiverr.com) Priyo.com (priyo.com) Vocal.Media (vocal.media)
Freelancer (freelancer.com) SomeWhereIn Blog (blog.somewherein.net) HubPages (hubpages.com)
PeoplePerHour (peopleperhour.com) Bdnews24 Blog (opinion.bdnews24.com) Telegra.ph

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ফ্রি ইনকাম

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কি ফ্রি ইনকাম করা যায়? হ্যা, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম করা যায়। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে কিভাবে ফি টাকা ইনকাম করা যায় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে? কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট বা কোর্সসমূহ আপনি প্রচার-প্রচারণা করে আপনার রেফারের বিক্রি করে দিচ্ছেন এবং ওই বিক্রয় মূল্য থেকে সে কোম্পানি আপনাকে কিছু কমিশন দিচ্ছে মূলত এটাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।

আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে ব্লগের মধ্যে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম রান করতে পারেন। অথবা আপনার ইউটিউব চ্যানেল বা সোশ্যাল মিডিয়া এর মধ্যে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম রান করাতে পারেন।  সবচেয়ে ভালো হয় ইউটিউব এ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করলে। আপনি কোন কোম্পানির প্রোডাক্টের ওপরে ভিডিও মেক করে ইউটিউবে আপলোড করলে সেখান থেকে সেল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে যার ফলে আপনি অনেক বেশি কমিশন পাবেন।

আপনি যত পারবেন অথেন্টিক রিভিউ দেয়ার চেষ্টা করবেন। যার ফলে আপনার সেল অনেক বেশি হবে। কেননা মানুষের বিশ্বাস অর্জন করার জন্য আপনাকে ওই প্রোডাক্টের ভালো দিক খারাপ দিক উভয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে।অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের জন্য মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাটা অনেক জরুরী। তো এভাবে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ফ্রি ইনকাম করতে পারবেন। আর এখানে আপনার আয়ের কোন লিমিটেশন নাই। আপনি আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গেম খেলে ফ্রি টাকা ইনকাম

গেম খেলেও কি টাকা ইনকাম করা যায়? হ্যা, অবশ্যই। গেম খেলো ফ্রিতে টাকা ইনকাম করা যায়। গেমের মধ্যে কিছু টাস্ক থাকে যেগুলো কমপ্লিট করে টাকা ইনকাম করা যায়। অথবা গেমের মধ্যে বিভিন্ন অ্যাড দেখে ইনকাম করা যায়। কিছু কিছু গেমে নির্দিষ্ট লেভেল কমপ্লিট করার পরে পয়েন্ট কালেক্ট করা যায়। পয়েন্ট কালেক্ট করার পরে ওখান থেকে কিছু পরিমাণ টাকা আপনার একাউন্টে যোগ হয়। কিছু উল্লেখ্য গেম এর নাম হলো ঃ 
  • MPL (Mobile Premier League)
  • Cashpirate
  • Loco
  • Ludu King
উক্ত গেমগুলো খেলে পয়েন্ট কালেক্ট করে রিওয়ার্ড গ্র্যান্ড করা যায় এবং ওখান থেকে ইনকাম করা যায়। আপনি চাইলে অতি সহজেই এখান থেকে পেমেন্ট বিকাশ বা নগদে নিতে পারবেন। যার জন্য আপনাকে প্রথমে ব্যালেন্স উইথড্র অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর বিকাশে নিবেন না নগদে নিবেন যে কোন একটা সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার পরে আপনার বিকাশ একাউন্টের নাম্বার দিয়ে পেমেন্ট নিয়ে নিতে হবে। এভাবেই আপনি গেম খেলে ফ্রি টাকা ইনকাম করে বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাটেল অয়েল গেম রয়েছে। যেখানে কিছুদিন পরপর টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।এসব টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে জিততে পারলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এ সকল ব্যাটেল অয়েল গেমে দুই এক দিন পর পর টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। এবং ফাস্ট প্রাইজ অনেক টাকা থাকে। তো আপনি যদি এসব গেমে এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে জিতে নিতে পারেন প্রচুর পরিমাণ অর্থ। নিছে কিছু জনপ্রিয় ব্যাটেল রয়েল গেমের নাম দেওয়া হলোঃ
  • পাবজি
  • ফ্রি ফায়ার

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে ইনকাম

আপনি চাইলে ঘরে বসে গ্রাফিক ডিজাইন করে আয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে হবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার পর আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে গিয়ে সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমে বাইয়ারের অনুমোদন পাওয়ার পর ডিজাইন করে ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনের চাহিদা অনেক। কিন্তু বর্তমান সময়ে অনেক ডিজাইন এআই দিয়ে করা হয়। তবে এআই ব্যবহার করার জন্যে হলেও একজন ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রয়োজন। যার ফলে আপনি গ্রাফিক ডিজাইন করে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
কিভাবে-ফ্রি-টাকা-ইনকাম-করা-যায়


যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মানুষ অনেক উন্নত হয়েছে। বর্তমান সময়ে এআই দিয়ে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে তার মধ্যে একটি ডিজাইন। আগে মানুষের যে ডিজাইন করতে ২ ঘন্টা সময় লাগতো এখন ঐ সেম ডিজাইন এ আই দিয়ে করতে মাত্র ৫ মিনিট সময় লাগে। তো বুঝতেই পারছেন মানুষ কতটা উন্নত হয়ে গেছে। এআই ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট অ্যালগরিদম রয়েছে। এখন কথা হচ্ছে এই নির্দিষ্ট অ্যালগরিদম ফলো করার জন্য একজন ভালো মানের ডিজাইনার প্রয়োজন। তাই আপনি ভালোমতো গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন। কারণ একজন ভালো মানের ডিজাইনারের চাহিদা বর্তমান সময়ে অনেক।

বর্তমান সময়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনেক। কেননা সব বিজনেস বা কোম্পানি সব ক্ষেত্রেই প্রায় গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রয়োজন। সকল কর্মক্ষেত্রেই একজন দক্ষ ডিজাইনার প্রয়োজন। জাতে করে সে অনলাইন এ ওই কোম্পানির রিদম টা অটুট রাখতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে। আর সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জন্যে সুন্দর সুন্দর ব্যানার ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, মোশন ডিজাইন ইত্যাদি প্রয়োজন। এগুলো বানানোর জন্যে হলেও একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রয়োজন। এজন্যেই গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনেক। শুধু গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেই চলবে না। আপনাকে একজন দক্ষ স্কিলফুল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হবে। তাহলেই আপনি অনেক পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য আপনাকে কিছু ওয়েবসাইট এ একাউন্ট ক্রিট করা লাগবে। বা আপনি আপনার আশেপাশের লোকাল ক্লায়েন্ট এর ও কাজ করে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার কাজের বিনিময়ে আপনি অনেক কম মূল্য পাবেন যদি আপনি লোকাল ক্লায়েন্ট এর কাজ করেন। আর আপনার কাজের সঠিক মূল্য পেতে আপনাকে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস এ একাউন্ট থাকতে হবে এবং ঐসকল মার্কেটপ্লেস থেকে ক্লায়েন্ট হান্টিং করে কাজ পেতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার কাজের সঠিক মূল্য পাবেন। এবং প্রচুর পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর জন্যে কিছু বিশ্বস্থ মার্কেটপ্লেস হলো:
  • Fiverr
  • Upwork
  • Behance
  • LinkedIn
  • Freelancer.com

ডেটা এন্ট্রি কাজ করে ইনকাম

ঘরে বসে বিনা বিনিয়োগে ইনকাম করতে চাইলে ডেটা এন্ট্রি কাজ অনেক ভালো। কেননা আপনি কোনও বিনিয়োগ ছাড়াই ঘরে বসে শুধু মাত্র আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে এটি করতে পারবেন। আপনি কি জানেন বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষ প্রতিদিন ঘরে বসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে এই ডেটা এন্ট্রির কাজ করে। তো আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন।আপনিও শুরু করুন আজ থেকেই ডেটা এন্ট্রির কাজ। কারণ হয়ত এখানে থেকেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার ক্যারিয়ার এ ইনকাম এর সূচনা। এবং এখানে থেকেই আপনার ক্যারিয়ার উজ্জল হিয়ে যেতে পারে।

ডেটা এন্ট্রির কাজ করতে হলে আপনার যা যা করতে হবে তা হলো প্রথমেই আপনার প্রয়োজন একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ অবং ইন্টারনেট সংযোগ। আপনাকে কম্পিউটার এক্সেল, অবং অন্যান্য মাইক্রোসফট টুল এর কাজ জাতে হবে। কোনও কাজ এ ভুল ধরার চোখ থাকতে হবে। এবং নির্দিষ্ট সময় এর মধ্যে আপনার ডেটা এন্ট্রির কাজটি স্বাহ করার এবিলিটি থাকতে হবে। এগুলো বিষয় আয়ত্ত করতে পারলে আপনি খুব সহজেই ডেটা এন্ট্রির কাজটি করতে পারবেন। 

ডেটা এন্ট্রির কাজ করে আপনি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৫০০-১৫০০ টাকা অনায়াসে ইনকাম করতে পারবেন। এজন্য একটি বিশ্বস্থ ওয়েবসাইট এ একাউন্ট থাকতে হবে। ওখানে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন বাইট হবে। এবং ওই ওয়েবসাইট থেকে আপনি ডেটা এন্ট্রি কাজের অর্ডার নিতে পারবেন। ওই ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে ডেটা সোর্সের লিঙ্ক ইমেইল করা হবে এবং কিভাবে কাজ করতে হবে এসব বিষয় আপনাকে ভালো মতন বুঝিয়ে দেওয়া হবে। তারপর আপনি অনায়াসে ডেটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন। এবং আপনি প্রতিদিন ২০০০-৫০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তো বুঝতেই পারছেন যে কত তা উপকারী এই কাজ টি আপনার জন্য।
সুতরাং দেরি না করে, সাত-পাঁচ না ভেবে আজই শুরু করে দিন ডেট এন্ট্রির কাজ। আগে মানুষ অনেক খেতে অনেক পরিশ্রম করে টাকা ইনকাম করত। এখন আমাদের এই টাকা ইনকাম এর ব্যবস্থা  টি অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমরা চাইলেই ঘরে বসে ইন্টারনেট কে কাজে লাগিয়ে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারি। শুধু আমাদের প্রয়োজন কিছু জিনিসের ওপর দক্ষতা অর্জন করা এবং ওই বিষয় নিয়ে অনলাইন ভিবিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করা। আপনার যত বেশি দক্ষতা থাকবে আপনি তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

এক কথায় বলতেই পারেন যত চিনি দিবেন তত মিষ্টি হবে। এখানে আপনার স্কিল এর ওপর আপনাকে ক্লায়েন্টর কাজ দিবে। আপনি যত বেশি স্কিল অর্জন করবেন আপনার কাজ পাওয়ার প্রবণতা ততই বেড়ে যাবে। আসাকরই ডেটা এন্ট্রির কাজের বিষয় তা আপনাকে ভালো মতো বুঝতে পেরেছি। সুতরাং দেরি না করে আজই শুরু করে দিন ডেটা এন্ট্রি নিয়ে রিসার্চ এবং কাজ করা শুরু করুন। ডেটা এন্ট্রি কের জন্য কিছু বিশ্বস্থ ওয়েবসাইট এ একাউন্ট থাকা প্রয়োজন। নিচে কিছু বিশ্বস্থ ওয়েবসাইট এর না দেওয়া হলো:
  • ফ্রিলান্সার
  • গুরু
  • ডেটা প্লাস
  • দায়নডেটা সলিউশন

ই-কমার্স ব্যবসা করে ইনকাম

অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য কেনা বেচা করার প্রক্রিয়াকেই মূলত ই-কমার্স বলে। আমরা সাধারণত অনলাইন থেকে নানা ধরনের জিনিস কিনে থাকি, এগুলো ই-কমার্স এর মধ্যে পরে। অনলাইনে কোনও ওয়েবসাইট বা পেজ থেকে আমরা অর্ডার করে থাকি এবং প্রোডাক্টটি সোজা আমাদের হাতে চলে আসে কত সহজে। ই-কমার্স বিজনেস করে আমরা চাইলে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারব। কেননা তৎকালাইন সময়ে মানুষজন বলতে গেলে অনলাইন নির্ভর। তারা সবকিছুই অনলাইন এর মাধ্যমে করে। এমনকি ঘরের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে খবর জিনিস অব্দি।

ই-কমার্স বিজনেস করার জন্য প্রথমেই আমাদের প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট। অবশ্যই ওয়েবসাইটটি বিশ্বস্থ হতে হবে। মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে ওয়েবসাইটটি কে বিশ্বস্থ বানাতে হবে। যার জন্যে আপনাকে প্রোডাক্ট এর ভালো-মন্দ উভয় দিক বর্ণিত করে বিক্রি করতে হবে। যার মাধ্যমে আপনি অনায়াসে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন। আর বেশি সেল আনার জন্য আপনর প্রয়োজন মানুষের সমস্যার সমাধান করা। কারণ মানুষ তাদের আওমস্যার সমাধান খুঁজে। আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট এর মাধ্যমে মানুষের সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন তাইলে আপাঁড় প্রোডাক্ট এর সেল এটোমেটিক বেড়ে যাবে।

তখন দেখবেন আপনার ওয়েবসাইট অনেক বিশ্বস্থ ও হয়ে গেছে এবং আপনার সেলও বহু পরিমাণে আসবে। আপনি সব দিক দিয়েই লাভবান  হবেন। ই-কমার্স বিজনেস তা আপনি যত বড় করবেন ততই আপনি ঘরে বসে থেকে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনাকে তখন র কিছুই করা লাগবে না, আমনি আমানেই ঘরে বসে থাবেন আপনি আর ওইদিকে আপনার ওয়েবসাইট এ সেল আসতেই থাকবে আর আপনার ইনকাম হতেই থাকবে। এজন্যে ঘরে বসে ফ্রিতে টাকা ইনকামের অনেক সুন্দর একটা মাধ্যম হলো ই-কমার্স। এখন থেকে অনায়াসে আপনি একজন বড় ব্যাবসিক ও হয়ে যেতে পারেন।

বর্তমান বিশ্বে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে একটু সামান্য কিছু কাজ করা লাগবে এবং তারপর ওখান থেকে আপানর ইনকাম আসতেই থাকবে প্রতিনিয়ত। কাজের পরিমাণ খুবই সামান্য। শুধু একটু বুদ্ধি থাকলেই আপনি ঘরে বসে থেকে ওয়ান অনেক টাকা আয় করতে পারবেন অনায়াসে। ই- কমার্স এমনই একটা মাধ্যম। যেটা ইউটিলাইজড করে আপনি চাইলে অনেক কিছুই করতে পারবেন। শুধু প্রয়োজন একটি বিশ্বস্থ ওয়েবসাইট অবথা ফেসবুক পেজ অবং মানুষ কিনবে এমন সব ধরনের প্রোডাক্ট। তাহলেই আপনি ই-কমার্স বিজনেস শুরু করে দিতে পারবেন এবং ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

শেষ কথা (কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়)

এখন কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা বুঝতেই পারছেন। উপরে দেখানো মাধ্যম গুলো অবলম্বন করলে আপনি ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাছাড়াও পিওএসসি অথবা ব্রোকার ইত্যাদি কাজ করে আপনি অনলাইন থেকে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ফ্রি বলতে আসলে কিছু হয় না টাকা ইনকামের জন্য কিছু না কিছু করা লাগে। হয়তো এখানে আপনি কোন বিনিয়োগ ছাড়া টাকা ইনকাম করতে পারছেন। কোন বিনিয়োগ করা লাগতেছে না। এই সুবিধাটা আপনি এখানে পাচ্ছেন। তবুও আপনাকে কিছু একটা করতে হচ্ছে যার ফলে আপনি টাকা আয় করছেন।

অফলাইন যেকোনো কাজে আপনাকে প্রথমে বিনিয়োগ করতে হয় তারপরে আপনি সেখান থেকে আয় শুরু করেন। কিন্তু উপরে দেখানো মাধ্যমগুলোতে আপনাকে কোন একটিতেও বিনিয়োগ করতে হচ্ছে না। আপনি বিনিয়োগ ছাড়াই আয় করতে পারছেন অনায়াসে। এজন্যই বলতেছি যে ফ্রিতে আসলে কোন কিছু হয় না টাকা ইনকামের জন্য আপনাকে কিছু না কিছু করতে হবেই। যদি আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অবশ্যই অন্যান্যদের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জীবন মিডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Fashiur Rahman Jibon
Md. Fashiur Rahman Jibon
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও জীবন মিডিয়া ব্লগের এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।