গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয়
ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবানগর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয় তা নিয়ে আপনি চিন্তিত? এটি নির্ভর
করে বাচ্চার মা গর্ভাবস্থায় কি খাওয়া দাওয়া করছেন। বাচ্চাকে
বুদ্ধিমান করতে হলে গর্ভাবস্থায় তার মাকে সঠিক পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন ডি
এবং লোহা সেবন করতে হবে। তবেই বাচ্চার স্ট্রেন্থ বাড়বে।
কিছু কিছু শুকনা খাবার রয়েছে যেমন সবুজ শাকসবজি, কলা, শুকনো
ফলমূল, পুদিনা পাতা ইত্যাদি যদি গর্ভাবস্থায় খাওয়া যায় তাহলে
বাচ্চার মস্তিষ্কে বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটে। বাচ্চার বুদ্ধিমত্তা বিকাশে
সূচনা হয় গর্ভাবস্থা থেকেই সুতরাং গর্ভাবস্থায় একটি মাকে সঠিক পরিমাণে ক্যালরি
এবং প্রোটিন সেবন করতে হবে। এবং অতিরিক্ত কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
পেজ সূচীপত্রঃ গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয়
- গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয়
- গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চার ব্রেইন ভালো হয়
- গর্ভাবস্থায় কি কি ফল খাওয়া উচিত
- গর্ভের বাচ্চার ওজন বৃদ্ধির উপায়
- গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না
- গর্ভাবস্থায় কি কি খাওয়া যাবে না
- গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা ফর্সা হয়
- গর্ভাবস্থায় যেগুলো কাজ এড়িয়ে চলবেন
- গর্ভাবস্থায় করা সেরা আমল
- শেষ কথা (গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয়)
গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয়
গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয় তা জানা খুব জরুরী। কেননা
গর্ভাবস্থায় একটি বাচ্চার ২৫ শতাংশ ব্রেইন বিস্তার শুরু করে। যেহেতু ভ্রুণ
অবস্থায় ২৫ শতাংশ ব্রেন বিকাশ শুরু হয় সেহেতু বাচ্চার মা কে
গর্ভাবস্থায় প্রোটিন যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত মাছ মাংস ডিম
ইত্যাদি খাইতে হবে।পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন লোহা ও ক্যালোরি গ্রহণ করতে
হবে। বাদাম ছোট থেকে শুরু করে বড় অব্দি সবার আইকিউ লেভেল বৃদ্ধি
করে। এজন্য বাদাম সেবন করতে হবে। এবং জন্মের পর বাচ্চার বাকি ৭৫
শতাংশ ব্রেইন বৃদ্ধি শুরু করে। তাই জন্মের পর বাচ্চাকে বাদাম এবং ডিমের
সাদা অংশ বেশি বেশি করে খাওয়াবেন। ডিমের সাদা অংশ রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে এলবুমিন। যা অনেক উপকারী।
মাছ খাওয়ার দিকে বেশি জোর দিতে পারেন। কারণ মাছ সেবন করলে বাচ্চার ব্রেন
ভালো থাকে চোখের জ্যোতি ভালো থাকে। কারণ মাছে রয়েছে ফ্যাটি এসিড যা
বাচ্চার জন্য অনেক উপকারী। গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত কিছু খাওয়া থেকে বিরত
থাকতে হবে। কারণ বাচ্চার অনেক কিছু নির্ভর করে তার
মায়ের খাওয়া-দাওয়া, চলাফেরা ইত্যাদির উপরে। তাই
বাচ্চাকে ব্রেনি বানাতে হলে সেই অনুযায়ী হিসাব করে খাওয়া দাওয়া করতে
হবে।
যেগুলো বেশি বেশি খাবেনঃ
- মাছ
- ডিম
- দুধ
- বাদাম
- ফলিক এসিড
- ভিটামিন ডি
- লোহা
গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চার ব্রেইন ভালো হয়
গর্ভাবস্থায় বাচ্চার ব্রেনের ভালোমতন বিকাশ ঘটাতে আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণে
প্রোটিন, ফলিক
অ্যাসিড, শাকসবজি, লোহা, ডিম, দুধ, বাদাম ইত্যাদি
সেবন করতে হবে। এগুলো খাবার ফলে আপনার বাচ্চার আইকিউ লেভেল বৃদ্ধি
পাবে। মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করবে। তাছাড়া ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার
খাইতে হবে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এ সকল মাছের নাম
হলঃ সালমন, টুনা ইত্যাদি। এগুলো সেবন করলে আপনার বাচ্চার
আইকিউ ঠিকঠাক থাকে।
আপনি যদি অন্তত সপ্তাহে দুইবার মাছ না খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার বাচ্চার আইকিউ
লেভেল কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বাচ্চার
ব্রেনের জন্য অনেক অনেক কার্যকরী। ব্রেইন বিকাশ করতে অনেক অনেক সহায়তা
করে। এজন্য সপ্তাহে দুইবার করে মাছ খেতে হবে। গর্ভাবস্থায় নিয়ম করে মাছ,
দুধ, ডিম এগুল তো খেতেই হবে। তার মধ্যে মাছ অন্যতম। সুতরাং বলাই যাই
গর্ভাবস্থায় বাচ্চার ব্রেইন বা আইকিউ লেভেল বাড়াতে মাছ এর গুরুত্ব
অপরিসীম।
আরও পড়ুনঃ
ঘরে বসে দৈনিক ৫০০ টাকা আয় করুন
গর্ভাবস্থায় কি কি ফল খাওয়া উচিত
যে ফলগুলোতে রয়েছে ভিটামিন C, ভিটামিন B6, খনিজ, পটাশিয়া্ আয়রন,
প্রোটিন ও লোহা যেগুলো বাচ্চা ও বাচ্চার মায়ের সুস্থতা বজায় রাখে এবং
মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়। সেই ফলগুলো নিয়মিত খেলে বাচ্চার আইকিউ লেভেল
বৃদ্ধি পায় মস্তিষ্কের বিকাশ ভালো মতন ঘটে।
উক্ত ফল গুলোর নাম নিচে দেওয়া হলঃ
- কলা ঃ কলাতে রয়েছে ভিটামিন C এবং ভিটামিন B6। এগুলো থাকার ফলে বাচ্চার মস্তিষ্ক সতেজ থাকে এবং খুব তীক্ষ্ণ হয়। অপরদিকে মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটাতেও এটি সহায়তা করে
- পেয়ারা ঃ পেয়ারা তে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা বাচ্চার মস্তিস্কের জন্যে খুব কার্যকরী।
- ড্রাগন ফল ঃ ড্রাগন ফলে রয়েছে আয়রন। যা গর্ভাবস্থায় বাচ্চার সুস্থতার জন্য অনেক জরুরী।
- আপেল ঃ আপেলে রয়েছে ফাইবার।
উপরোক্ত ফলগুলো খেলে বাচ্চার দেহের পুষ্টি পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং মস্তিষ্কের
বিকাশ ঘটে।একজন গর্ভবতী মায়ের উক্ত ভিটামিন এবং প্রোটিন গুলো
প্রতিনিয়ত শরীরে পৌঁছানো অনেক প্রয়োজন। এজন্য নিয়ম করে গর্ভাবস্থায়
থাকাকালীন পুষ্টিকর ফল গুলো খেতে হবে।
গর্ভের বাচ্চার ওজন বৃদ্ধির উপায়
গর্ভাবস্থায় কোন মানা চায় তার বাচ্চা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোক একটু
বুদ্ধিমান হোক। শুধু চাইলেই হবে না সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং বুদ্ধিমান
হওয়ার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা লাগবে। যেমন গর্ভাবস্থায় বাচ্চার ওজন
বাড়ানোর জন্য ঠিকমতো প্রোটিন, ওমেগা-৩, আইরন ইত্যাদি সমৃদ্ধ খাবার খেতে
হবে।যেমন- মাছ-মাংস, ডিম, দুধ, কলা, সবুজ শাকসবজি, বিভিন্ন ফলমূল (কলা,
আপেল, অ্যাভোকাডো) ইত্যাদি।
উক্ত খাবার গুলো খেলে গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি পায়
মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটে। আমরা জানি গর্ভাবস্থায় বাচ্চার ব্রেনের ২৫ শতাংশ
বিস্তার শুরু করে। এজন্য গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন ঠিকমতো নিয়ম করে
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রেস্ট নিতে হবে, পরিমাণ মতো খাবার খেতে হবে, তাহলে
বাচ্চা সুস্থ থাকবে এবং বাচ্চার ব্রেন অনেক তীক্ষ্ণ হবে। বাচ্চার ভালোটা
চিন্তা করে হলেও আমরা চেষ্টা করব গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন একটু দেখেশুনে নিয়ম
করে চলাচল করার।
গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না
গর্ভাবস্থায় যেসব সবজি খেলে বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে এমন ধরনের খাবার থেকে বিরত
থাকতে হবে।গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন শাকসবজি খাওয়া অনেক অনেক উপকারী। তবে
কিছু কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যেমন কোন কাঁচা সবজি খাওয়া
যাবেনা। সবজি খেতে হলে প্রথমে ভালো মতন সেটিকে সিদ্ধ করে নিয়ে তারপরে
খেতে হবে। কাঁচা সবজি খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে। যার ফলে
অনেকটাই গর্ভপাতের ঝুঁকি থেকে যায়।
এজন্য গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন একটু দেখে শুনে সবজি খাওয়া উচিত। সবজিতে
অনেক পরিমাণে পটাশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন, আয়রন, ওমেগা-৩ ইত্যাদি
রয়েছে। যা বাচ্চার সুস্বাস্থ্য এবং ব্রেইনের জন্য অনেক অনেক
উপকারী। গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন দেখেশুনে ভালো সবুজ শাকসবজি খেলে বাচ্চার
ব্রেন অনেকটাই সার্ফ হয়। তবে আমরা একটু দেখে শুনে সবজি খাব কেননা কোন
ধরনের কাঁচা সবজি খেলে গর্ভপাতের একটু ঝুঁকি থাকে। কেননা কাঁচা সবজি খেলে
হজমে সমস্যা হয়।
আরও পড়ুনঃ ফেসবুক এ ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করুন
গর্ভাবস্থায় কি কি খাওয়া যাবে না
গর্ভাবস্থায় মা এবং শিশুর সুস্বাস্থ্য ও কামনা করলে কিছু জিনিস থেকে বিরত
থাকতে হবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হল যে কি কি খাওয়া
যাবেনা। গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন কোন ধরনের আধা সিদ্ধ বা কাঁচা খাবার
খাওয়া যাবেনা। যেমন কাঁচা মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কাঁচা
ফল যেমন কাঁচা পেঁপে খাওয়া যাবে না। ঠিকমত জ্বাল দেওয়া হয়নি এমন দুধ খাওা
যাবেনা। আনারস খাওয়া যাবেনা। কারন এগুল খেলে সরিরে ব্যাকটেরিয়া সমক্রমন হওয়ার
প্রবনতা বেড়ে যায়।
এজন্য এগুল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। একটি শিশুর গ্রোথ বা মস্তিষ্ক কেমন
হবে তা নির্ভর করে গর্ভে থাকাকালীন তার মা কি খাচ্ছে না খাচ্ছে এর
উপর। আপনি যদি সব কিছু মেইনটেইন করে নিয়মিত ভালো খাবার খেয়ে থাকেন তাহলে
আপনার শিশু সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে এবং তার ব্রেন তীক্ষ্ণ হবে। আর
উপরে বলা খাবার গুলো খেলে মা ও শিশু উভয়ই ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এজন্য
গর্ভাবস্থা থাকাকালীন এগুলো মেইনটেইন করে চলতে হবে।
গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা ফর্সা হয়
বাচ্চার গায়ের রং আসে বাচ্চার মা বাবার জিনের ওপর নির্ভর করে। স্পেসিফিক
ভাবে কোন খাবার খেলে যে বাচ্চা ফর্সা হবে এমন না। হাজবেন্ড ওয়াইফের জিনের
উপর ভিত্তি করে তাদের বাচ্চার রঙ নির্ধারণ হয়। তবে বাচ্চা সুস্বাস্থ্য
এবং ব্রেন বিকাশে সহায়তা করতে হলে আপনাকে গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন ভালো মন্দ
প্রোটিনযুক্ত ফলিক এসিড যুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন দুধ, ডিম, কলা,
শাকসবজি ইত্যাদি।
আমরা অনেকেই চাই আমাদের বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা হোক। এজন্য অনেকেই অনেক
কিছু করে থাকি। কিন্তু আসলে এগুলা সব বিফলে যায়। কারণ কোন কিছু করার
সাথে বাচ্চার গায়ের রং নির্ভর করে না বা পরিবর্তন হয় না। সর্বোচ্চ আপনি
ভালো-মন্দ প্রোটিন যুক্ত খাবার খেয়ে আপনার বাচ্চার সুস্বাস্থ্য এবং ব্রেন কে
তীক্ষ্ণ করতে পারেন। কারণ ভ্রুণ অবস্থায় বাচ্চার ব্রেনের বিকাশ শুরু হয়ে
যায়। সুতরাং নিয়ম মেনে নিয়মিত সুস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই
শ্রেয়।
গর্ভাবস্থায় যেগুলো কাজ এড়িয়ে চলবেন
গর্ভাবস্থায় থাকা গেলেন কিছু কাছ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। যেমন কষ্ট
হয় এমন জাতীয় ভারী কোন কাজ করা যাবে না। যদি আপনার বাসা বিল্ডিং এর
চারতলা পাঁচতলা ইত্যাদি অংশ হয়ে থাকে।তাহলে সিঁড়ি দিয়ে ভেসে ওঠা নামা করা
যাবে না। কোন ধরনের ভারী কাজ করাই যাবে না। আপনার যদি বদ অভ্যাস থেকে
থাকে যেমন ধূমপান, মদ্যপান। তাহলে এগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।কারণ
এগুলো করলে বাচ্চা এবং মা উভয়েরই ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
কোন ধরনের কাঁচা খাবার যেমন কাঁচা ফল বা কাঁচা মাংস ইত্যাদি জাতীয় খাবার
থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। তো নিয়ম গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনার
এবং আপনার বাচ্চার উভয়েরই মঙ্গল হবে। আমরা অনেকেই বুঝিনা গর্ভাবস্থায়
থাকাকালীন সব কাজকর্ম অনায়াসে কন্টিনিউ করে যায়। যেগুলো কাজ না করলেই না
সেগুলো ছাড়া অতিরিক্ত কোন কাজ করা যাবে না। একজন গর্ভবতী নারীর যথেষ্ট
পরিমাণে খেয়াল রাখতে হবে। এর জন্যে গর্ভবতী নারীর স্বামী কে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করতে হবে। আপনার ওয়াইফ এর যত্ন নিবেন।
আরও পড়ুনঃ অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব
গর্ভাবস্থায় করা সেরা আমল
কোন মানা চায় তার সন্তান সত হোক একজন নেক মানুষ হোক। আপনার সন্তান যেন সৎ
সচেতন এবং একজন নেক মনের মানুষ হতে পারে এজন্য আপনাকে গরাবসায় থাকাকালীন আপনার
রবের নিকট বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। যেমন আপনাকে চাইতে হবে উপরওয়ালা যেন
আপনার ঘরে একটি নেক সন্তানের জন্ম দেন। প্রথমে আপনাকে ধৈর্য ধরতে
হবে। অতঃপর গুনাহ থেকে মাফ হওয়ার জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করতে
হবে। কোন গুনার ভিতরে আপনি শামিল থাকলে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে এবং
ছেড়ে দিতে হবে। যাতে আপনার গুনার মাধ্যমে আপনার সন্তানের উপর কোন প্রভাব
না পড়ে।
ইসলাম ধর্মের অনুসারী হয়ে থাকলে গর্ভাবস্থায় থাকা কালীন বেশি বেশি নামাজ
পড়তে হবে, কোরআন তেলাওয়াত করতে হবে, আল্লাহ তায়ালার নিকট বেশি
বেশি চাইতে হবে, কোন প্রকার অন্যায় কাজ করা যাবে না, সব সময় অযু
অবস্থায় থাকতে হবে, বেশি বেশি জিকির করতে হবে এবং আল্লাহ তায়ালার নিকট
খাস দিলে দোয়া করতে হবে। তাহলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তায়ালা আপনার ঘরে একটি
নেক সন্তান উপহার দিবেন।
শেষ কথা (গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয়)
আশাকরি গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা বুদ্ধিমান হয় তা সম্পর্কে আপনারা
জতেস্ত পরিমান জ্ঞান লাভ করেছেন আর্টিকেলটি পড়ে। আপনাদের মাঝে আর কোন দিধাদন্ধ
নেয় এই বিষয় নিয়ে। সব মায়েরাই চাই তার বাচ্চা একটু বুদ্ধিমান হোক তার
ব্রেন তীক্ষ্ণ হোক। শুধু চেয়ে বসে থাকলে হবে না তার জন্য কিছু করতে
হবে। যেমন আপনি সুস্বাস্থ্যকর খাবার সেবন করবেন। যা উপরে ভালোভাবে
বোঝানো হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে কি ধরনের খাবার আপনারা খাবেন। যেগুলো কাজ
বর্জনীয় সেগুলো বর্জন করবেন।
নিয়মিত আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করবেন। তারপর বাকিটা আল্লাহর
ইচ্ছা। আল্লাহ তাআলা চাইলে আপনার ঘরের একটি সন্তান উপহার দিবেন। আমরা
সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারি। এবং সেই চেষ্টাটাই আপনাকে করতে হবে। উপরে
দেখানো ফলমূল এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি বেশি গ্রহণ করতে হবে। যাতে
করে আপনার বাচ্চার ব্রেন অনেক সারভ হয় এবং জন্মের পর যেন তার ব্রেন ভালো
থাকে। আর্টিকেলটি এতক্ষণ ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য
ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।



জীবন মিডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url