অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব

ঘরে বসে দৈনিক ৫০০ টাকা আয় করুনঅনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব? আপনি কি এই বিষয়টি নিয়ে অনেক চিন্তিত। অনেক ভাবনা ছিন্তা করে বুঝতে পারছেন না যে অনলাইনে কিভাবে বিজনেস শুরু করবেন। তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। অনলাইন বিজনেস নিয়ে আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না।
অনলাইন-বিজনেস-কিভাবে-করব
আমরা আজকে আপনাদের বিস্তারিত বলব অনলাইন বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে, অনলাইন বিজনেস নীতিমালা সম্পর্কে, কিভাবে অনলাইনে বিজনেস করে লাভবান হবেন ইত্যাদি। আসুন নিচের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ করে জেনে নেই কিভাবে অনলাইনে বিজনেস করে লাভবান হবেন।

পেজ সুচিপত্রঃ অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব

অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব

অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব। আমরা সবাই প্রায়ই এ কথা ভেবে থাকি। আমরা ঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারি না যে এটা আসলে কিভাবে করা উচিত। আসলে সঠিক পথ অবলম্বন করে অনলাইন বিজনেস করলে অবশ্যই আপনি লাভবান হবেন।অনলাইন বিজনেস করতে আপনার প্রয়োজন হবে একটি সুন্দর পরিকল্পনা। আপনি কোন বিষয় নিয়ে বিজনেস করবেন কি প্রোডাক্ট সেল করবেন মানুষকে কি ধরনের সেবা দিয়ে থাকবেন ইত্যাদি এর ওপর। নির্দিষ্ট একটা নিশ সিলেক্ট করার পরে আপনি খুব সহজেই অনলাইনে চালনা করতে পারবেন।

অনলাইনে ভালোভাবে বিজনেস করতে হলে আপনাকে বুঝতে হবে যে বর্তমান সময়ে গ্রাহকরা আসলে কি চায়। তাদের চাহিদাটা আসলে কি? উক্ত বিষয়গুলো যখন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন তখন এমনিতেই বোঝা যাবেন যে আপনার কেমন প্রোডাক্ট সেল করা উচিত বা কেমন সেবা দেওয়া উচিত।ইদানিং সময়ে মানুষ অলওয়েজ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে একটিভ থাকে। আপনি যদি কিছু জনপ্রিয় সোশ্যাল প্লাটফর্ম টার্গেট করে আপনার বিজনেসের প্রচার-প্রচারণা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার বিজনেস গ্রো হতে শুরু করবে। এসব কিছুর ছোট ছোট নিয়ম-কানুন রয়েছে যেগুলো ফলো করলে অনলাইনে বিজনেস করে অনেক লাভবান হওয়া যায়।

কেউ কেউ করি আবার কেউ কেউ করে উঠতে পারে না। অনেকে ভাবি যে অনলাইন বিজনেস বোধহয় অনেক কঠিন অনেক জটিল এমন। আসলে তেমন কিছু নয় অনলাইন বিজনেস খুবই সহজ যদি আপনি বুঝে শুনে সেটি করেন। অনলাইন বিজনেস এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে আপনি বিনা বিনিয়োগ কে খুব সহজেই আপনার বিজনেসটাকে আস্তে আস্তে গ্রো করাতে পারবেন। অফলাইন মার্কেটে বিজনেস করতে হলে অনেক বিনিয়োগ বা অন্যান্য কিছু করতে হয় যেটা একটু কষ্টসাধ্য। কিন্তু অনলাইন বিজনেসের ক্ষেত্রে কোন বিনিয়োগ করার প্রয়োজন হয় না।

অনলাইন বিজনেস কাকে বলে

যেকোনো ব্যবসা অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালনা করাকে অনলাইন বিজনেস বলা হয়। সেটি হতে পারে যেকোনো ব্যবসা।হতে পারে সেটি ই-কমার্সের কোন প্রোডাক্ট সেলিং বিজনেস। অথবা অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স সেলিং বিজনেস। বর্তমান সময়ে আমরা সবাই প্রায় অনলাইন নির্ভর। আমরা আমাদের জীবনের প্রায় অনেক কাজ অনলাইনে মাধ্যমে করে থাকি।এমনকি ঘরের জিনিসপত্র থেকে নানান আসবাবপত্র আমরা অনলাইন থেকে কিনে থাকি। এজন্য অনলাইন বিজনেস এর চাহিদা প্রচুর।

বর্তমান সময়ে অনলাইন বিজনেস এর চাহিদা প্রচুর পরিমাণে বেড়ে চলেছে। অনলাইন বিজনেস বিশ্বের সর্বোচ্চ বিজনেস পদ্ধতি স্থান প্রায় দখল করে নিয়েছে। এজন্য আমার আপনার মত মানুষ এখন অনলাইন প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে বিজনেসকরে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছেন প্রতি মাসে। আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন। আপনি অবশ্যই অনলাইন বিজনেস করবেন। অনলাইন বিজনেস নিজের ঘরে বসে থেকে আরামে করা যায়। স্বল্প পুঁজিতে শুরু করার মত প্লাটফর্ম হলো অনলাইন বিজনেস। যেখানে আপনি আপনার স্বপ্নের বিজনেস শুরু করতে পারবেন স্বল্প পুঁজির মাধ্যমে।

অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দিনের পর দিন মানুষের অনলাইন ব্যবহার বেড়েই চলেছে। আর আপনি অনলাইনে পণ্য কিনা বেচা থেকে শুরু করে ডেলিভারি অব্দি সম্পূর্ণ ঘরে বসে করতে পারবেন। বুঝতে পারছেন এটি কতটা সহজ একটা মাধ্যম বিজনেস করার জন্য। আপনি যদি অনলাইন বিজনেস স্টার্ট করতে চান, তাহলে কিভাবে আপনি অনলাইন বিজনেস শুরু করবেন, কি বিষয় নিয়ে বিজনেস স্টার্ট করবেন, কোন বিষয় নিয়ে স্টার্ট করলে সুবিধা বেশি। এ ধরনের সকল বিষয় সম্পর্কে আমরা আজকে উক্ত আর্টিকেলে বলব।

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

আপনি কি ধরনের পণ্য বা সেবা সমূহ দিতে চলেছেন আগে সেটি আপনাকে বাছাই করতে হবে। আপনি আপনার পণ্য বা সেবা সমূহ কি ধরনের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে চাচ্ছেন সেটা নিয়ে আপনাকে রিসার্চ করতে হবে। কোন বয়সে মানুষজন আপনার পণ্য বা সেবা সমূহ বেশি গ্রহণ করবে সেটি বিষয়ে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। কোন পণ্যের বা সেবার চাহিদা বর্তমান সময়ে অনেক বেশি। এবং যেটির জায়গায় অনেক বেশি বা কোনদিন কোন বিষয় নিয়ে বিজনেস স্টার্ট করলে আশা করি আপনি লাভবান হবেন। আপনার অবস্থান, বাজেট ইত্যাদি বিবেচনা করে বিজনেস আইডিয়া চিন্তা করুন। আপনি কি পরিমান ক্রীতাদের হিট করতে চাচ্ছেন সেটি সিলেট করুন।

নির্দিষ্ট একটা নিশ সিলেক্ট করুন। নিশ কি বা কাকে বলে? আসলে আপনি যে বিষয় নিয়ে বিজনেস স্টার্ট করতে যাচ্ছেন বা যে ধরনের পণ্য বিক্রয় করতে চাচ্ছেন পাশে বাড়ি যাচ্ছেন ওটা ছিল কোন বিষয়ে মূলত এটাকে নিজ বলা হয়। যেমন আপনি সেবা দিয়ে থাকেন যে দৈনিক তিন বা চার লিটার পানি খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তাহলে আপনার নিস হল সুস্বাস্থ্য। তো নিশা হচ্ছে মূলত এটাই। তো অনলাইন বিজনেস শুরু করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি চাহিদা মূলক সিলেক্ট করতে হবে। যাতে করে আপনার অনলাইন বিজনেসটা খুবই দ্রুত গ্রো হয়ে যায়। যে সকল পণ্য বা সেবা সমূহের চাহিদা কখনো শেষ হবে এমন বিষয় নিয়ে আপনাকে নিশ সিলেক্ট করতে হবে।

অনলাইনে অগণিত উদ্যোক্তা বিভিন্ন রকম পর্ণ বা সেবা সময়ের সাথে জড়িত রয়েছে। আপনি অবশ্যই আপনার নিজের পছন্দ অনুযায়ী বা নিজের করতে ভালো লাগে এমন কোন পণ্য বা সেবা সমূহ নিয়ে বিজনেস শুরু করবেন। আপনাকে প্রথমে বুঝতে হবে যে আপনার প্রোডাক্ট বা সেবা আপনি নিজে প্রথম গ্রহণ করবেন কিনা বা আপনার পরিবার গ্রহণ করবে কিনা। এমন চিন্তা ভাবনা নিয়ে আপনাকে এগোতে হবে। তবেই না আপনার প্রোডাক্ট বা সেবা সমূহ ক্রেতারা ক্রয় করবে। অনলাইনে যদি একটা ভালো প্ল্যাটফর্ম আপনি তৈরি করতে পারেন তাহলে আপনি অনেক অনেক ভিজিটর পাবেন। ভিজিটরদের ক্রেতাতে পরিণত করতে হলে তাদের সমস্যার সমাধান করতে হবে।

ঘরে বসে অনলাইন ব্যবসা

অনলাইন ব্যবসার একটা ভালো দিক হলো যে এটি ঘরে বসে আপনি পরিচালনা করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে বাইরে কোন দোকানে দোকানে বা ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়াতে হবে না। আপনি নিজের ঘরে বসে থেকে অনলাইন বিজনেসের কার্য সম্পাদন করতে পারবেন। আপনি যদি অনলাইনে কোন পণ্য বিক্রয় এর বিজনেস করে থাকেন তাহলে আপনি আপনার ঘরে বসে থেকে ওই পণ্য মার্কেটিং করতে পারবেন। এবং যখন আপনার পণ্যের অর্ডার অনেক বেশি আসবে তখন আপনি একজন ডেলিভারি ম্যান এর মাধ্যমে প্রোডাক্টগুলো ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে কিছু করতে হবে না।
অনলাইন-বিজনেস-কিভাবে-করব


আপনি যেকোন ধরনের অনলাইন ব্যবসা করুন না কেন। আপনি সেটি ঘরে বসেই সম্পন্ন করতে পারবেন। তৎকালীন সময় মানুষ অনেক অলস হয়ে গেছে। তারা চাই হাতের মুঠো সবকিছু নিয়ে আসতে। এমনকি যে খাবার তারা খাবে সে খাবারও চাই যে তারা অনলাইনে অর্ডার করার মাধ্যমে খাবার যেন রুমে চলে আসে। বর্তমান বিশ্ব আসলে এমনই হয়ে গেছে। কিছু খেতে মন চাইলে আপনি অনলাইনে অর্ডার করে দিবেন খাবার আপনার বাসায় এসে হাজির হয়ে যাবে। এর জন্য অনলাইনে বিজনেস করাটাও আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে গেছে। মানুষ আর আগের মতো মার্কেটে গিয়ে জিনিস কিনতেছে না। যদি কিনে থাকে তবে খুব কম।

মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজন জিনিসপত্র সবকিছুই প্রায় অনলাইন থেকে ক্রয় করে থাকে।এজন্য অনলাইনে বিজনেস করে সাফল্য অর্জন করা খুবই সহজ। আপনি যদি অনলাইনে বিজনেস করে সাফল্য অর্জন করতে চান আপনার অনলাইন প্লাটফর্মে ভিজিটর গুলোকে যদি আপনি ক্রেতায় পরিণত করতে চান, তাহলে আপনাকে ক্রেতাদের সমস্যার সমাধান করতে হবে। আপনি যখনই তাদের সমস্যার সমাধান করবেন তখনই আপনার ওই পণ্য বাসে বা সময়ের চাহিদা বেড়ে যাবে তাদের কাছে।যাতে করে।

অনলাইন ব্যবসার নীতিমালা

অনলাইন বিজনেসের কিছু নীতিমালা রয়েছে। যেমন ট্রেড লাইসেন্স। আপনাকে সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার বিজনেসের জন্য একটি লাইসেন্স করে নিতে হবে। যার ফলে ভবিষ্যতে কোন আইনি ঝামেলা হবে না। তাছাড়াও বিজনেস গ্রো করার জন্য কিছু নীতিমালা রয়েছে। যেমনঃ
  • মার্কেট রিসার্চ করে ব্যবসার আইডিয়া তৈরি করা
  • বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে কানেক্টেড থাকা
  • প্রতিনিয়ত নতুনত্ব নিয়ে আসা
  • গ্রাহকদের চাহিদা বুঝা
  • গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান করা
  • ভালো মনের প্রোডাক্ট বা সেবা সমূহ সেল করা
একজন ভালো লেখক হতে হলে যেমন একজন ভালো পাঠক হতে হয়, তেমনি একজন ভালো বিক্রেতা হতে হলে একজন ভালো ক্রেতা হতে হয়। আপনাকে সর্বপ্রথম ভেবে দেখতে হবে যে আপনার প্রোডাক্ট বাড়ছে বা সমূহ আপনি নিজে বা আপনার পরিবার নিচ্ছে কিনা বা কিনবে কিনা। আপনার প্রোডাক্ট কতটুকু অথেন্টিক, মানুষের কাছে এটা বিশ্বাসযোগ্য হবে কিনা। উক্ত বিষয়গুলা আপনাকে ভালো মতন খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিনিয়ত ট্রেন্ডে ফলো করতে হবে। যে এখন কোন বিষয়টির উপরে ট্রেন্ড চলতেছে। কারণ বাঙালি ট্রেন্ডে গা ভাসায়। শখের দাম লাখ টাকা। বাঙালি যাদের শখ পূরণ করতে লাখ টাকা খরচ করবে কোন সমস্যা নাই।
এজন্য আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার বিজনেসের মধ্যে নতুনত্ব নিয়ে আসতে হবে। এভাবে যখন আপনি কন্টিনিউ করতে থাকবেন তখনই দেখবেন আপনার বিজনেস আস্তে আস্তে গ্রো হচ্ছে।তাছাড়াও আপনি নিজস্ব ওয়েবসাইট বানানোর মাধ্যমে অনলাইনে বিজনেস করতে পারেন। নিজস্ব ওয়েবসাইটে নিজস্ব প্রোডাক্ট এর প্রাইজিং লিস্ট করে ই-কমার্স সিস্টেমের মাধ্যমে প্রোডাক্ট সেল করতে পারেন। সত্যি বলতে সফলতার চাবিকাঠি হল পরিশ্রম। আপনি যদি অনলাইন বিজনেস এর নীতিমালা অনুসরণ করে ভাল মতন সঠিক পথে পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে অবশ্যই একদিন স্বাবলম্বী হয়ে অনলাইন বিজনেস থেকে সফলতা অর্জন করবেন।

অনলাইনে ভালোমতো ব্যবসা করতে হলে আপনাকে উক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। মনে রাখবেন গ্রাহক বা ভিজিটরা তখনই আপনার পণ্য কেনা শুরু করবে যখন আপনি তাদেরকে সমস্যার সমাধান করতে পারছেন। তখন তারা আপনার প্রোডাক্ট এর উপরে বেশি আগ্রহী হবে। এবং আপনার সেলিং বেড়ে যাবে অনেক। সাধারন বলা যায় উক্ত নীতিমালা গুলো মেনে চললে আপনি অনলাইন ব্যবসা করে লাভবান হবেন আশা করছি।

বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার বর্তমান চিত্র

বাংলাদেশের অনলাইন ব্যবসা বর্তমান চিত্র অনেক ইতিবাচক। কেননা বর্তমান সময়ে সকল মানুষ কল্যাণ নির্ভর হওয়ার ফলে সবাই অনলাইন এই সবকিছু করতে ভালোবাসেন। যার ফলে কেনাকাটা, পরালেখা ইত্যাদি সব কিছুই তারা অনলাইনের মাধ্যমে করে থাকেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ই-কমার্স বিজনেস অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দিনের পর দিন অনলাইনে কে তাদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে সুতরাং বুঝতে পারছেন বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসা বর্তমান চিত্র কতটা লাভজনক। আপনি চাইলে স্বল্প পুঁজিতে অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন এবং ব্যবহার হতে পারেন।

গত বছরের পরিসংখ্যানের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে বাংলাদেশে ই-কমার্স মার্কেট প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনলাইন এর মাধ্যমে পেমেন্ট করার হার ৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষই বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট করেছে কেনাকাটা করে থাকে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে কেনাকাটা বেশি করে থাকে। কারণ আমরা ই-কমার্স ওয়েবসাইটের সাথে পরিচিত না থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এর সাথে সবাই পরিচিত।

এজন্য এখান থেকে গ্রাহক হওয়া খুবই সহজ। আস্তে আস্তে সবকিছু অনলাইনে নির্ভর হয়ে যাবে তখন মানুষ আর দোকানে গিয়ে কেনাকাটা করবে না সবকিছু অনলাইন থেকেই কিনবে এবং সেটি তাদের দুয়ারে এসে পৌঁছাবে। যদি ২০৩০ কিংবা ৩৫ সাল চিন্তা করা যায় তাহলে দেখা যাবে যে ১০০ জনের মধ্যে ৯৫ জন মানুষ অনলাইন থেকে তার সমস্ত কাজ করে থাকে। তো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনলাইন ব্যবসা ভবিষ্যৎ অনেক ভালো। একটি ভালো অনলাইন বিজনেস প্ল্যান করে এগুলো আশা করা যায় ভবিষ্যতে অনেক লাভবান হওয়া যাবে।

অনলাইন বাজারজাতকরণের সুবিধা

বর্তমান সময়ে অনলাইন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি বিজনেস করে অনেক লাভবান হতে পারবেন। অনলাইনে বিজনেস করার অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। কেননা এখনকার অধিকাংশ মানুষই অনলাইন থেকে বাজার সদাই করে থাকে, কেনাকাটা করে থাকে, শিক্ষণীয় বিষয় শিখে থাকে।আমরা চাইলে অতি সহজেই অনলাইন থেকে যেকোনো জিনিস ক্রয় করতে পারি। যার ফলে আমাদের সময় এবং পরিশ্রম দুটোই বেঁচে যাবে। এজন্য অনলাইনে বাজার করলে অনেক সুবিধা গ্রহণ করা যায়।যেমন- সময় বাঁচানো যায়, পরিশ্রম করতে হয় না, ভালো-মন্দ দেখে কেনা যায়। এমন নানান অপশন আমাদের হাতে থাকে যার মাধ্যমে আমরা অথেন্টিক প্রোডাক্টটি ক্রয় করতে পারি।

বর্তমান সময়ে এসেও আমরা অনেকেই মনে করি যে অনলাইন থেকে প্রোডাক্ট কিনব খারাপ হবে না ভালো হবে। আমরা এখনো ব্যাকডেটেডই রয়ে গেছি। আর বর্তমান সময়ে অনলাইন জগত রাজত্ব করছে বললেই চলে। এ পর্যায়ে এসে এমন চিন্তা ভাবনা করা উচিত নয়। হ্যাঁ অনলাইন থেকেও ভালো প্রোডাক্ট কেনা সম্ভব যদি আপনি বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন। আর যদি আপনি বুদ্ধিমান না হন চালাক চতুর না হয়ে থাকেন তাহলে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। কারণ এমন ব্যবসা রয়েছে যেখান থেকে আপনি কোন প্রোডাক্ট ক্রয় করলে সেটি ভালো হয় না বা ভালো প্রোডাক্ট তারা দেয় না। কিছু কিছু সময় অ্যাডভান্সড পেমেন্ট নেওয়ার পরে প্রোডাক্টটি ডেলিভারি করে না।

এ সকল বিষয়গুলি ছাড়া অনলাইন থেকে প্রোডাক্ট ক্রয় করা সেফ। শুধু আপনাকে একটু বুদ্ধিমান এবং চালাক হতে হবে।বর্তমান সময়ে আপনি যদি একটু বুদ্ধিমান না হন তাহলে আপনি দুনিয়ার সাথে তাল মিলায় চলতে পারবেন না। তা না হলে পুরো দুনিয়ার মানুষ আপনাকে তিলে তিলে তলায় নামিয়ে ফেলবে। কিন্তু আপনি যদি একটু চালাক হয়ে সবকিছু করেন তাহলে সব জায়গায় লাভবান হবেন। আশা করি অনলাইন থেকে বাজারজাতকরণের সুবিধা সম্পর্কে বুঝতে পারছেন।

অনলাইন ব্যবসার সুবিধা ও অসুবিধা

অনলাইনে বিজনেস করার যেমন অসুবি বা অন্য জায়গায় চলে যানধা রয়েছে ঠিক তেমনি অসুবিধাও রয়েছে। ঠিকঠাকভাবে সবকিছু নিয়মকানুন মেনে ব্যবসা করলে লাভবান হওয়া যায়। অপরদিকে যদি আপনি ঠিকঠাক মতো বিজনেস প্ল্যান না করেই মাঠে নেমে যান অনলাইন বিজনেস করতে তাহলে তো আপনি ক্ষতিগ্রস্ত অবশ্যই হবেন। অনলাইনে বিজনেস করার সুবিধা কি আপনি আপনার বিজনেস প্লাটফর্মটি দিনরা ২৪ ঘন্টা খোলা রাখতে পারবেন। যে কেউ যেকোনো সময়ে আপনার প্রোডাক্টটি অর্ডার করতে পারবে। অফলাইনে বিজনেসের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় হয় কি যে দোকান বন্ধ থাকার কারণে অনেক ক্রেতারা ফিরে যান।

কিন্তু অনলাইনে ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আপনার বিজনেস প্লাটফর্ম ২৪/৭ আওয়ার্স চালু থাকে। যার মাধ্যমে আপনি সর্বদা গ্রাহকদের সেবা দিতে পারবেন। এক ক্লিকের মাধ্যমে আপনার সমস্ত ডিটেলস গ্রাহকরা পেয়ে যাবে। তারা বুঝে যাবে যে আপনার অনলাইন বিজনেস প্লাটফর্মটি কতটা বিশ্বাসযোগ্য তারা আপনার এখান থেকে পণ্য ক্রয় করবে কিনা। এ সকল বিষয়ে আপনাকে নিজে বলতে হবে না।তারা এক ক্লিক করে দেখে নিতে পারবে। কম খরচে আপনি আপনার স্বপ্নের বিজনেস স্টার্ট করতে পারবেন। সহজে এটির প্রচার প্রচারণা করতে পারবেন এসইও এর মাধ্যমে। এগুলো হল অনলাইন ব্যবসার সুবিধা।

অনলাইন বিজনেস এর অসুবিধা হলো এখানে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। আপনাদের ঠিকঠাক মতো প্রযুক্তিগত জ্ঞানের ধারণা না থাকে তাহলে আপনি অনেক পিছিয়ে পড়বেন যার কারনে আপনার বিজনেস অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অনলাইন প্লাটফর্মে আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে ক্রেতারা সহজে আপনাকে বিশ্বাস করতে চাইবে না। তারপরও সাইবার সিকিউরিটি কত কিছু সমস্যা তো থেকেই যায়। এগুলো হচ্ছে অনলাইন বিজনেস এর অসুবিধা। অনলাইন বিজনেসে অসুবিধার চেয়ে সুবিধার পরিমাণ অনেক বেশি। এজন্য আমরা চেষ্টা করব সকল নিয়ম-নীতি ভালোমতো অনুসরণ করে অনলাইন বিজনেস শুরু করার। যাতে করে আমরা এখান থেকে লাভবান হইতে পারি।

অনলাইন বিজনেস করে সাফল্য অর্জন

অনলাইনে তো অনেকেই বিজনেস করে সবাই কি সাফল্য অর্জন করতে পারে। সঠিক উত্তর হবে না পারে না। কারণ সবাই নিষ্ঠাবান বা অধ্যাবসায়ী হয় না। অনলাইন বিজনেস করে সাফল্য অর্জন করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি সুন্দর নিশ নির্বাচন করতে হবে। আপনাকে এমন নিস নির্বাচন করতে হবে যেটা নিয়ে কাজ করে আপনি মজা পান। আপনার আপনার যে কাজটি করতে ভালো লাগে।কেননা অনলাইন বিজনেসে একটি বিষয় নিয়ে আপনাকে দীর্ঘদিন কাজ করে যেতে হবে সে ক্ষেত্রে ভালোলাগার বিষয়টাও থাকতে হবে যাতে করে আগ্রহটা না কমে যায়। অনলাইনে সকল নিয়ম কানুন মেনে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় একাউন্ট থাকতে হবে।
অনলাইন-বিজনেস-কিভাবে-করব
উক্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অন পেজ এসইও এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট এর প্রচার-প্রচারণা ভাল মতন করতে হবে। গ্রাহকরা যাতে করে আপনার প্রোডাক্ট নিতে বেশি আগ্রহী হয় সে বিষয়টা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যখন আপনি আপনার প্রোডাক্টের প্রচার প্রচারণা করবেন তখন আপনার অনলাইন প্লাটফর্মে ভিজিটরের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। আপনি যদি আপনার প্রোডাক্টের সেল বাড়াতে চান তাহলে ভিজিটরদেরকে ক্রেতায় পরিণত করতে হবে। এটি করার জন্য আপনার তাদের সমস্যার সমাধান করতে হবে। একটা কথা মনে রাখবেন মানুষ তখনই সেখানে টাকা ব্যয় করে যখন তার কোন সমস্যার সমাধান সেখান থেকে পায়।
এভাবে আপনি ভিজিটরদেরকে ক্রেতায় পরিণত করতে পারবেন। চেষ্টা করবেন সম্পূর্ণ অথেন্টিক প্রোডাক্ট সেল করার যাতে করে কাস্টমাররা আপনার প্রোডাক্ট এর উপরে আস্থা পাই আপনার অনলাইন প্লাটফর্ম গুলিকে বিশ্বাস করতে শুরু করে।এভাবে উক্ত নিয়মগুলো সম্পূর্ণ ভাল মতন মেনে যদি আপনি বিজনেস করতে পারেন তাহলে অনলাইন থেকে বিজনেস করে সাফল্য অর্জন করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। আর যদি সঠিক নিয়মকানুন না মেনে আপনি বিজনেস করেন তাহলে অবশ্যই সেখান থেকে সাফল্য অর্জন করা সম্ভাবনা অনেক কম। সাফল্য পাবেন না বললেই চলে।

অনলাইন বিজনেস মার্কেটিং

অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব, কিভাবে মার্কেটিং করব ইত্যাদি বিষয় নিয়ে অনেক আগ্রহ থেকে যায়। মার্কেটিং স্ট্যাটিজি জানলে আপনার সেল দিনের পর দিন আরও বৃদ্ধি পাবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে অনলাইন বিজনেস মার্কেটিং কিভাবে করব? আমি আছি তো আসুন বলে দিচ্ছি। অনলাইন বিজনেস মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে অনলাইনে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একাউন্ট থাকতে হবে। উক্ত একাউন্টগুলোতে আপনার বিজনেসের প্রোডাক্ট বা সেবা সমূহ কনটেন্ট আকারে লিখে আপনাকে প্রকাশ করতে হবে। অথবা সোসিয়াল মিডিয়া এড ডিজাইন করেও আপলোড করতে পারেন।

তারপর উক্ত কনটেন্ট বা অ্যাড গুলোকে মার্কেটিং এর আওতায় এনে অন পেজ এসিও কমপ্লিট করে গ্রাহকদের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। আপনি অন পেজ এসে যত ভালো করবেন তত বেশি ভিজিটর পাবেন আপনার অনলাইন প্লাটফর্মে। তাছাড়া আপনি যদি আপনার অনলাইন প্লাটফর্মে ভিজিটর সংখ্যা বাড়াতে চান তাহলে ক্ষুদ্র পরিসর টাকার বিনিময়ে আপনি আপনার কনটেন্ট বা অ্যাড করতে বুস্ট করতে পারেন। যার ফলে আপনার আইডি আরও লাখ লাখ মানুষের কাছে ছড়িয়ে যাবে। ফলে আপনার পাবলিসিটি আরো বেড়ে যাবে। অনেক পরিমাণে সেল আসতে থাকবে। মানুষজন আপনাকে বিশ্বাস করতে থাকবে।
তাছাড়াও ই-কমার্স ওয়েবসাইটে আপনার নিজস্ব প্রোডাক্ট আপনি সেল করতে পারেন।ওয়েবসাইটের মধ্যেও আপনি চাইলে আপনার প্রোডাক্টের এড দেখাতে পারবেন। যদি আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে তাহলে তো অনেক সহজ। আপনি নিজেই পারবেন আপনার নিজের প্রোডাক্টের চালাতে। যদি আপনার ওয়েবসাইট না থেকে থাকে। তাহলে অন্যান্য মানুষের ওয়েবসাইটের মধ্যে আপনার প্রোডাক্টের এড চালাতে হবে যাতে করে আপনাকে ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যয় করতে হবে। এভাবে আপনি আপনার অনলাইন বিজনেস মার্কেটিং করে যেতে পারবেন।

অনলাইন মার্কেটিং মূলত আপনার অনলাইন বিজনেসকে গ্রো করতে অনেক বেশি সাহায্য করে।আপনি যত বেশি মার্কেটিং করবেন আপনার প্রোডাক্ট বা সেবা তত পরিমাণে বিক্রয় হবে। আপনি যদি একজন মার্কেটিং এক্সপার্ট হয়ে থাকেন, তাহলে ধরে নিন আপনার অনলাইন বিজনেস এর ভবিষ্যৎ অনেক ভালো। ভালো মার্কেটিং এর কারণে অনেক সময় ছোট ছোট এজেন্সি বা কোম্পানি অনেক উচ্চতর লেভেলে চলে যাই। শুধুমাত্র ভালো মার্কেটিং এর কারণে। যারা বুদ্ধিমান হয় তারা অবশ্যই তাদের অনলাইন বিজনেসে মার্কেটিং সেক্টর টা অনেক গুরুত্ব সহকারে হ্যান্ডেল করে। কেননা মার্কেটিং এর উপরে ওই বিজনেস টার ভবিষ্যৎ নির্ভর করে।

শেষ কথা (অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব)

অনলাইন বিজনেস কিভাবে শুরু করব, এটা নিয়ে প্রশ্ন হয়তো আর থাকবে না। দৈনন্দিন জীবনে ই-কমার্স প্রোডাক্ট এর চাহিদা অনেক। মানুষ অন্যান্য নির্ভর হওয়ায় ই-কমার্স প্রোডাক্ট অনেক বেশি পরিমাণে ক্রয় করে থাকে। যার ফলে এই ই-কমার্সের মার্কেটটা হাই লেভেলে চলে গেছে। অনলাইন প্লাটফর্ম এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি খুব সহজেই অল্প পুঁজিতে আপনার বিজনেস স্টার্ট করতে পারবেন।তারপরে নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন মেনে আসতে আসতে বিজনেসটিকে গ্রো করতে পারবে। এমন অনেক বড় বড় বিজনেসম্যান কে দেখেছি যারা তাদের শুরুটা করেছিল অনলাইন থেকে স্বল্প পরিসরে। এখন তারা অনেক বড় বড় বিজনেসম্যান হয়ে গেছে।

হোক না আপনার শুরুটা ছোট পরিসরে। কারণ হতেও তো পারে এই ছোট্ট পরিসরে শুরু করা বিজনেসটা একদিন বড় আকার ধারণ করে আপনার ভাগ্য পাল্টে দিবে। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন।এবং সঠিক পন্থায় চেষ্টা চালিয়ে যান। প্রতিনিয়ত আপডেটেড থাকুন। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলুন। ট্রেন ফলো করুন, গ্রাহকরা আসলে কি চায় তা বোঝার চেষ্টা করুন। এ সমস্ত বিষয়গুলি ভালো মতন উপলব্ধি করে বিজনেস স্টার্ট করুন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যান। প্রয়োজনে স্বল্প পরিসরে অর্থ ব্যয় করে আপনার প্রচার-প্রচারণা কে বুস্ট করুন। এতে করে আপনারই লাভ হবে। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জীবন মিডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Fashiur Rahman Jibon
Md. Fashiur Rahman Jibon
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও জীবন মিডিয়া ব্লগের এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।