অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল কিভাবে করবেন?
এটা নিয়ে আপনি চিন্তিত। তাহলে আপনি একদম সঠিক জাইগায় এসেছেন। আমরা আপনাকে বলব
কিভাবে অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইন্সটল
করবেন।
অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ এর সুযোগ সুবিধা একটু বেশি। অন্যান্য থার্ড
পার্টি অ্যাপ গুলো সহজে ইন্সটল ইনস্টল করা যায়। না যদি না আপনার ডিভাইস রুটেড
থাকে। আসুন জেনে নিই কিভাবে যে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ সিস্টেম আন
অ্যান্ড্রয়েডে ইন্সটল করবেন।
পেজ সুচিপত্রঃ অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল
- অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল
- থার্ড পার্টি এপ্লিকেশন কি
- অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ কিভাবে ইনস্টল করব
- সিস্টেম অ্যাপ হিসাবে তৃতীয় পক্ষের অ্যাপগুলি ইনস্টল পদ্ধতি
- সহজেই অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল
- অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল কঠিন হচ্ছে
- ব্যবহারকারী অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে রুপান্তর
- সিস্টেম অ্যাপ এর সুবিধা
- থার্ড পার্টি অ্যাপ কেন ঝুঁকিপূর্ণ
- শেষ কথা (অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল)
অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল
অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করতে আমার সবাই
চাই। কেননা সিস্টেম অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা বেশি। অন্যানও থার্ড পার্টি গুগল
প্লেস্টোর অ্যাপ্লিকেশনের মতো চাইলেই সহজেই রিমুভ বা আনইনস্টল করা যায় না।
অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে কিভাবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করবেন তা
আজক আমরা আপনাকে বলব। ক্যামেরা বা ফাইল ম্যানেজার এপ্লিকেশন যেমন আপনার ডিভাইসে
একদম সিস্টেম অ্যাপ। এরকমই সিস্টেম অ্যাপে কনভার্ট করে দেখাও যেকোনো থার্ড পার্টি
অ্যাপ কে। আসুন নিচের আর্টিকেল কি পুরোটা পড়ে জেনে নেই কিভে টা করা যায়।
আমরা সাধারনত সিস্টেম অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি কারন এটি অনেক স্মুথলি রান করে
থাকে। এটি ব্যবহার করা অনেক মজা। অন্যান্য অ্যাপের চেয়ে এটা অনেক
আলাদা হয়ে থাকে। আপনি চাইলে যে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপকে খুব সহজেই সিস্টেম
অ্যাপ এ কনভার্ট করতে পারবেন। আপনার ডিভাইস যদি কখনো নষ্ট হয় বা রিসেট
মারার প্রয়োজন হয় তাহলে পুনরাই আপনাকে ওই অ্যাপটি ডাউনলোড বা ইন্সটল করতে হবে
না কেননা আপনি পূর্বেই সেটিকে সিস্টেম ভাবে কনভার্ট করে রেখেছিলেন যার মাধ্যমে
আপনার সকল ডাটা এবং উক্ত অ্যাপটি, ক্যামেরা বা ফাইল ম্যানেজার অ্যাপ্লিকেশন
মতো ডিভাইসে থেকেই যাবে।
কোনও থার্ড পার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট করতে হলে আপনাকে প্রথমেই ওই
অ্যাপের ফাইল তাঁকে রুট করতে হবে। এই রুট করার জন্য আমরা অনেক গুলো এপ্লিকেশন
গুগল প্লেস্টোরে পেয়ে যাব। তবে আমরা মূলত আজকে ইএস ফাইল এক্সপ্লোরার এর মাধ্যমে
কিভাবে তা করতে হয় তা জানব। এই এপ্লিকেশনটির মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার ডিভাইস এ
যেকোনো অ্যাপকে রুট করে সেটিকে আপনার অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপে রূপান্তর
করতে পারবেন। সিস্টেম অ্যাপ মুলত আপান্র ডিভাইস এর কম্পলসারি অ্যাপগুলর মত আচরণ
করে থাকে। যেমন এর একটি উদাহরন হল ক্যামেরা বা ফাইল ম্যানেজার ইত্যাদি।
আরও পড়ুনঃ অনলাইনে ফ্রি ইনকাম সাইট বিকাশ পেমেন্ট
থার্ড পার্টি এপ্লিকেশন কি
এখানে এখন অনেকেই আছে জারা মনে মনে ভাবতেচে যে থিরদ পার্টি অ্যাপ্লিকেশান টা আসলে
কি? আসুন আপনাদের বলে দেই। থিরদ পার্টি অ্যাপ্লিকেশান হল ধরুন আপনি গুগল
প্লেস্টোর বাদ এ অন্য কোন সাইট বা ডিরেক্ট গুগল থেকে একটি অ্যাপ নামালেন। মুলত
এতাকেই থিরদ প[আরত্য অ্যাপ বলে সহজ ভাষায়। গুগল থেকে লাইসেন্সবিহিন কোন অ্যাপ
নামানর সময় আপনার মোবাইল এ কিন্তু একটা নটিফিকশন আসে। যে এটা আপনার ডিভাইস এর
জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ। তো মুলত এই অ্যাপ কেই থিরদ পার্টি অ্যাপ বলা হয়। আজকে আমারা আই
থার্ড পার্টি অ্যাপ কেই সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট করব। আশা করি আপনাদের আর কোন
কনফিউশন নেয় এই থার্ড পার্টি অ্যাপ নিয়ে যে আতা আসলে কি জিনিষ।
থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন এর সুবিধা কি? আসলে থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশনের
মাধ্যমে আপনি অনেক কিছু করতে পারবেন। যেমন যে সকল অ্যাপ্লিকেশন গুগল প্লে স্টোর
দ্বারা অনুমোদিত নয় এই সকল অ্যাপ্লিকেশন আপনি সহজেই গুগল থেকে ডিরেক্ট বা
অন্য কোন সাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। কোন অ্যাপের সাবস্ক্রিপশন না কিনে
সেটির মোড ভার্সন আপনি চাইলেই ব্যবহার করতে পারবেন। এরকম অনেক মানুষ আছে
যারা শুধুমাত্র সার্ভিস দিয়ে থাকে তাও আবার ফ্রিতে। কেননা যখনই আপনি কোন থার্ড
পার্টি হার্মফুল অ্যাপ আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করতে যাবেন তখনই একটা নোটিফিকেশন
আসবে এমন যে ইটস হার্মফুল ফর ইওর ডিভাইস।
তো বুঝতে পারছেন যে থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন মাধ্যমে আমরা কত ধরনের সুযোগ
সুবিধা পেয়ে থাকি। আমরা থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশান এর মাধ্যমে যেকোনো জনপ্রিয়
অ্যাপ এর প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন পেয়ে যেতে পারি। থার্ড পার্টি
অ্যাপ্লিকেশান এর মাধ্যমে আমরা অনেক ধরনের বেটিং সাইট, এডিটিং সফটওয়্যার ইত্যাদি
অতি সহজেই পেয়ে থাকি। সুতরাং থার্ড পার্টি অ্যাপ কি কাকে বলে এবং এটি কিভাবে
কাজ করে টা নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু একটা সমস্যা কি এ সকল ঝুঁকিপূর্ণ থার্ড পার্টি হয়েছে ব্যবহার করলে
সমস্যা হতেও পারে।
অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ কিভাবে ইনস্টল করব
থার্ড পার্টি অ্যাপ ইন্সটল করতে হলে আপনাকে প্রথমেই একটি ব্রাউজার ওপেন করতে হবে।
তারপরে আপনি যেই অ্যাপটি ইন্সটল করতে যাচ্ছেন সেটি লিখে সার্চ করতে
হবে। গুগল প্লে স্টোর ব্যতীত অন্য যেকোনো লিঙ্গের উপরে ক্লিক করতে
হবে। আপনি যে অ্যাপ সার্চ দিয়েছেন সেই অ্যাপের প্রো ভার্সন বা মোড এপিকে
এরকম লেখার উপরে ক্লিক করবেন। যেকোন ওয়েবসাইটে ঢুকার পর একটু কল করলেই নিচে
ডাউনলোড এর অপশন বা ডেট ডাউনলোড লিংক এমন অপশন দেখা যাবে ওখানে ক্লিক করতে
হবে। ক্লিক করার পরে আপনাকে অ্যাডের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হবে সেখান
থেকে ব্যাক বাটনে ক্লিক করে আবার পুনরায় আগের পেজে ফিরে আসবেন।
তারপর আবার গেট ডাউনলোড লিংক অপশনে ক্লিক করবেন। তারপর অন্য পেজে নিয়ে যাবে
তখন ডাউনলোডের অপশন এনাবেল হয়ে গেছে বা দেখা যাচ্ছে তখন ডাউনলোড অপশন এ ক্লিক
করবেন অতঃপর আপনার কাছে একটা নোটিফিকেশন আসবে এমন যে (its harmful for your
device)। তারপর ওকেতে ক্লিক করে আপনাকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে
হবে। এভাবে আপনি যে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করতে
পারবেন। ইন্সটল করার পরে সেটিকে আবার আপনার ডিভাইসের সিস্টেম অ্যাপ এ
কনভার্ট করতে পারবেন খুব সহজে। কেননা সিস্টেম অ্যাপ ব্যবহার করে একটি সুযোগ
সুবিধা বেশি পাওয়া যায় থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহারের চেয়ে।
থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহারে অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। কেননা আপনি যেকোন
এপ্লিকেআপ প্রিমিয়াম ভার্সন ফ্রিতে পেয়ে যাচ্ছেন। যেগুলো সাবস্ক্রাইব করতে
আপনার টাকা দেওয়া লাগতো সেগুলো আপনি অনায়াসে ফ্রিতে পেয়ে যাচ্ছেন। টাকা
দেওয়া লাগছে না। এমন অনেক অনেক থার্ড পার্টি অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ফিচার
অনেক অনেক সুন্দর যেগুলো সাবস্ক্রাইব করে প্রো ভার্সন নিতে গেলে অনেক টাকা
প্রয়োজন হতো। সেগুলো সুযোগ সুবিধা আপনি থার্ড পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে পেয়ে
যাচ্ছেন। সুতরাং বুঝতে পারছেন থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ
সুবিধা কতটুকু। চলুন নিচের অংশ পড়ে জেনে নেই কিভাবে থার্ড পার্টি
অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে রূপান্তর করব।
আরও পড়ুনঃ অ্যাড দেখে দৈনিক ৫০০ টাকায় করুন
সিস্টেম অ্যাপ হিসাবে তৃতীয় পক্ষের অ্যাপগুলি ইনস্টল পদ্ধতি
প্রথমেই বলে নিচ্ছি যে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে তৃতীয় পত্র ইনস্টল করতে হলে আপনাকে
সর্বপ্রথম গুগল প্লে স্টোর থেকে ইএস ফাইল এক্সপ্লোরার অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড
করতে হবে। আপনি চাইলে অন্যান্য এপ্লিকেশনের মাধ্যমেও আপনার ডিভাইস এর
অ্যাপ্লিকেশন গুলোকে রুট করতে পারেন। ই এস ফাইল এক্সপ্লোরার অ্যাপ্লিকেশনটি
ডাউনলোড করার পরে ওপেন করতে হবে। ওপেন করে বাম সাইডে নেভিগেশন ড্রয়ার ওপেন
করে করে ইন্টার্নাল স্টোরেজ এই অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।তারপর স্ল্যাশ
(/) বাটনে ক্লিক করলে আপনার ডিভাইসের সমস্ত ফাইলের এক্সেস উক্ত
অ্যাপ্লিকেশনে চলে যাবে।
ক্ল্যাশ অপশনে ক্লিক করার পরে ডাটা (data) লিখায় ক্লিক করলে আপনার ফোনে
যতগুলো থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল রয়েছে এগুলোর সমস্ত লিস্ট উক্ত
অ্যাপ্লিকেশনে চলে যাবে। তারপর ওখানে থেকে আপনি আপনার ডিভাইসে ইন্সটল
করা যেকোনো থার্ড পার্টি এর ডাটা নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এখন আপনি যেই থার্ড
পার্টি অ্যাপটিকে সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট করতে চান উক্ত অ্যাপ এর ফাইল এর ওপর লং
প্রেস করে ধরে রাখলে কাট অপশন আসবে ওখানে কাট করবেন। এরপর আপনি আবার
পুনরায় স্ল্যাশ ফোল্ডারে ফিরে গিয়ে সিস্টেম অ্যাপ এর ফোল্ডারে ঢুকে
ওখানে উক্ত কাঠ করা ফাইলটি পেস্ট করে দিলে কাজ হয়ে যাবে।
উক্ত কাজ সম্পন্ন করার পরে কিছু পারমিশন এলাও করতে হবে যার মাধ্যমে আপনার থার্ড
পার্টি অ্যাপটি সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট হবে। পেস্ট করা ফাইল দের ওপরে লং
প্রেস করে ধরে রাখার পর প্রপারটিজ অপশনে ক্লিক করে পারমিশন গুলো এলাও করতে
হবে। রিড, রাইট এবং এক্সিকিউট (Read, Wright & Execute) এই তিনটি
পারমিশন অ্যালাও করতে হবে। তারপর আবার উক্ত টেস্ট করা ফোল্ডারের ভিতরে ঢুকে
apk ফাইলের ওপরে লং প্রেস করে ধরে রেখে প্রপার্টিজ অপশনে গিয়ে পুনরায় পারমিশন
এলাও করতে হবে। এখানে Read, wright অপশন অ্যালাউ করতে হবে। এরপর
আপনার ডিভাইসটিকে একবার রিবুট করে নিবেন।
এভাবে যদি আপনি পুরো কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন তাহলে আপনার উক্ত থার্ড পার্টি
অ্যাপ্লিকেশনটি সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট হয়ে গেছে আশা করি। আপনার থার্ড
পার্টি অ্যাপটি সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট হয়েছে কিনা সেটা বুঝার জন্য আপনাকে
সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ ফোল্ডারের উপরে ক্লিক করে দেখতে হবে উক্ত অ্যাপটি আন
ইনস্টল করার অপশন রয়েছে কি নেই। যদি না থাকে তাহলে বুঝে নেবেন আপনার থার্ড
পার্টি অ্যাপটি সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট হয়ে গেছে। কারণ যখন সিস্টেম অ্যাপ
এ কনভার্ট হয়ে যাবে তখন আনইন্সটল করার অপশন থাকবে না। শুধু দুটি অপশন থাকবে
একটি ডিজেবল অপরটি ফোর্স স্টপ।
উপরে দেখানো উক্ত মাধ্যম গুলো সঠিকভাবে এপ্লাই করার পরে অবশ্যই আপনার
অ্যান্ড্রয়েডের যেকোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ কে আপনি সহজেই সিস্টেম অ্যাপ এ
রূপান্তর করতে পারবেন। সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট করলে আপনি যে কোন থার্ড
পার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ এর মত ব্যবহার করে সুযোগ সুবিধা পাবেন। তবে সব
ধরনের থার্ড পার্টি অ্যাপ ডিভাইসে ডাউনলোড করা হতে বিরত থাকবেন। কিছু
কিছু থার্ড পার্টি অ্যাপ রয়েছে যেগুলো আপনার অ্যান্ড্রয়েডে ডাউনলোড করা
ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলো হতে অবশ্যই বিরত থাকবেন।
আরও পড়ুনঃ
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে লাখ টাকা আয়
সহজেই অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল
অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইন্সটল করা খুবই সহজ। যার জন্য কিছু না
আপনাকে শুধুমাত্র আপনার মোবাইল ফোনের যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করতে হবে এবং
আপনি যে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন সেটি লিখে সার্চ করতে হবে। তারপর খুব
সহজেই আপনি যেকোন ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রবেশ করে উক্ত অ্যাপটি ডাউনলোড করতে
পারবেন কয়েক মিনিটের মধ্যেই। তো বুঝতে পারছেন অ্যান্ড্রয়েড থার্ড
পার্টি অ্যাপ ইন্সটল করার কতটা সহজ। মাঝে মাঝে কিছু সময় থার্ড পার্টি অ্যাপ
এর জন্য আপনার ডিভাইসে কিছু কিছু প্রবলেম দেখা দেয়। যেমন কাজ করা মাঝে মাঝে
হ্যাং করা ইত্যাদি।
মনে রাখবেন পৃথিবীতে সব ধরনের অ্যাপ্লিকেশন এর মোড বা প্রো ভার্সন আপনি
অনায়াসে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডাউনলোড করতে পারবেন। এবং সেটা ইন্সটল
করে সেটিকে সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন। যার জন্য
আপনাকে কোন টাকা দিতে হবে না। এটা একদমই ফ্রি। শুধুমাত্র কিভাবে থার্ড
পার্টি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডাউনলোড করে সেটিকে সিস্টেমে কনভার্ট করে ব্যবহার করতে
হয় সেটি জানা থাকলেই হবে। আমরা যারা অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে
যেকোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি আসলে তারাই জানি যেকোনো থার্ড পার্টি
অ্যাপ সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করলে কতটা লাভবান হওয়া যায়।
উক্ত মাধ্যম গুলো ভালো মতন উপলব্ধি করতে পারলে আপনি খুব সহজেই আপনার
অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি ইন্সটল করতে পারবেন। উক্ত মাধ্যম ছাড়াও আরো
অনেক মাধ্যম রয়েছে যার মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইন্সটল করা
যায়। কিন্তু আমাদের দেখানো মাধ্যমটা একটু বেশি সহজ আর কি। এটার
মাধ্যমে কোন অন্যান্য এপ্লিকেশন এর ব্যবহার ছাড়াই খুবই দ্রুত থার্ড পার্টি
ইন্সটল করা যায় অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে।
অ্যান্ড্রয়েডে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল কঠিন হচ্ছে
অ্যান্ড্রয়েডে ইকোসিস্টেম নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। যার মাধ্যমে প্রতিটি
কোম্পানির প্রতিষ্ঠান তাদের অ্যাপগুলোর জন্য একটি যাচাই করুন পরীক্ষা নিয়ে
থাকে। অর্থাৎ যিনি অ্যাপটি ব্যবহার করবেন তার পরিচয় সঠিকভাবে নিয়ে
থাকেন। যার মাধ্যমে শুধুমাত্র গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোডকৃত কোন অ্যাপ এর
যাযাকরণ করা হবে এমন না প্রতিটি অ্যাপ ডেভলপার এর যাচাই করণ করা হবে এর জন্য
এন্ড্রয়েড থার্ড পার্টি অ্যাপ ইন্সটল করা আরো কঠিন হয়ে যাবে। এজন্য কোন থার্ড
পার্টি অ্যাপ আপনার ডিভাইসে সচল রাখতে হলে আপনাকে এই নিরাপত্তা যাচাই করুন
পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন প্লেস্টোর বাদে অন্যান্য সাইটগুলো থেকে থার্ড পার্টি অ্যাপ
ইন্সটল করলে ডিভাইসে ম্যালওয়ারের সম্ভাবনা ৫০ গুণ থেকে যায়। ইকোসিস্টেম
নিরাপত্তার ফলে অধিকাংশ অ্যাপ ডেভলপাররা তাদের বিভিন্ন ডিভাইসের সচল রাখতে হিমশিম
খাওয়ার ফলে যদি তারা তাদের অ্যাপটি সচল রাখতে চান তাহলে 'অ্যান্ড্রয়েড
ডেভলপার কনসোল' এই পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবেই তারা তাদের অ্যাপটি
সচল রাখতে পারবেন। এ পক্ষে এর মাধ্যমে তাদেরকে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে
হবে এবং রেজিস্টার করে সাইনিং কি জমা দিতে হবে।
বিশ্বের প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনই গুগল সেবা বহন করে থাকে। কেননা তাদের
যেকোনো সিস্টেম অপারেটিং করতে হলে গুগলের সেবা নিতে হয়। উক্ত পদ্ধতির
মাধ্যমে কেবলমাত্র যাচাইকৃত অ্যাপ গুলি গুগল সার্টিফাইড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে
ইনস্টল করে ব্যবহার করতে পারবে। আমরা যদি আমাদের মোবাইল ফোনে কোন থার্ড
পার্টি অ্যাপ ইউজ করতে চাই তাহলে আমাদের যাচাইকৃত অ্যাপ ইউজ করতে হবে। তা না
হলে আমরা ব্যবহার করতে পারব না। ব্যবহার করতে পারলেও সেটা স্থায়ী হবে না
কিছুদিন পরে বন্ধ হয়ে যাবে। তবে কিছু কিছু দোষ রয়েছে যেখানে এই নীতির কোন
প্রভাব পড়বে না যেমন চীন। কারণ চিনে গুগল সেবা চলে না সেখানে নন গুগল সেবা
চলমান।
আমরা যারা আইফোন বা আইপ্যাড বা ম্যাকবুক ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকি তারা আই ও
এস এর সেবা নিয়ে থাকে। এখানে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ সহজেই ব্যবহার করা
যায় না। আগে সেটিকে সকল ইনফরমেশন দিয়ে রেজিস্টার করতে হয়। তারপরে
সেটি আমাদের ডিভাইসে চলমান থাকে। উপরে বলা উক্ত একই সিস্টেম নিরাপত্তা
ব্যবস্থার জন্য আগামী ২০২৬ সালে কিছুটা আইওএস এর মতন গুগল ও হয়ে যাবে। তখন
তারা আই এস এর মতন সেবা দিয়ে যাবে। তখন কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ নিজের
ডিভাইসে ব্যবহার করতে চাইলে আগে রেজিস্টার বা পারসেজ করতে হবে তারপর ইউজ করা
যাবে।
ব্যবহারকারী অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে রুপান্তর
কোন থার্ড পার্টি অ্যাপকে খুব সহজেই সিস্টেম অ্যাপ এ রূপান্তর করার জন্য আপনার
ডিভাইসটিকে আগে রুট করে নিতে হবে। অর্থাৎ আপনার ডিভাইসের সকল ফাইল গুলিকে
আগে রুট করে নিতে হবে। রুট করার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন এর প্রয়োজন হবে
যেটা আপনি খুব সহজেই গুগল প্লে স্টোরে পেয়ে যাবেন। তবে আমরা আপনাদের ইএস
ফাইল এক্সপ্লোরার এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে কিভাবে কোন ব্যবহারকারী অ্যাপকে
সিস্টেম এত পরিণত করতে হয় তা বলবো। ই এস ফাইল এক্সপ্লোরার (Es File
Explorer) এপ্লিকেশনটি ওপেন করে বামদিকে নেভিগেশন অপশন থেকে ইন্টারনাল
স্টোরেজ লেখায় ক্লিক করতে হবে।
তারপর স্ল্যাশ ফোল্ডারে ক্লিক করে অ্যাপটি যেই অ্যাপটি সিস্টেম অ্যাপ এ
রূপান্তর করতে চান তার এক ফাইল এর উপরে লংপ্রেস করে ধরে রেখে কাট করে নিতে
হবে। তারপর পুনরায় আবার স্ল্যাশ ফোল্ডারে ফিরে গিয়ে অ্যাপ ডাটা নামক
ফোল্ডারে ঢুকে পেস্ট করে দিতে হবে। পেস্ট করার পরে কিছু পারমিশন এলাও করতে
হবে। তারপর ফোনটিকে রিবুট করতে হবে। ব্যাস, তাহলে উত্তরটি সিস্টেম
অ্যাপ এ কনভার্ট হয়ে যাবে। এভাবে যদি আপনি কাজ করেন তাহলে আপনার থার্ড
পার্টি অ্যাপ্লিকেশনটি খুব সহজেই সিস্টেম অ্যাপ এ রূপান্তর হয়ে যাবে আশা করছি।
তারপরও যদি না হয় তাহলে উক্ত আর্টিকেলের কমেন্ট সেকশনে আমাদেরকে কমেন্ট
করুন।আমরা সমাধান করার চেষ্টা করব। যেকোনো থার্ড পার্টি অ্যাপটি
সিস্টেমের উপাদান করা খুবই সহজ যা উপরে দেখানো হয়েছে। আপনার যদি
কখনো ফোন রিসেট মারার প্রয়োজন হয়, তাহলে পুনরায় উক্ত অ্যাপ্লিকেশনটি
আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ উক্ত অ্যাপ্লিকেশনটি
আপনার সিস্টেমে রূপান্তর করা আছে। যেটা আপনার ডিভাইসের ক্যামেরা বা
ফাইল ম্যানেজার এর মত আচরণ করবে। যেটা আনইন্সটল করা যাবে না। এটি শুধু
আপনি ডিজেবল বা ফোর্স টু স্টপ করতে পারেন।
সিস্টেম অ্যাপ এর সুবিধা
সিস্টেম অ্যাপের সুবিধা অনেক। আপনি যদি আপনার কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন
কি একবার সিস্টেম অ্যাপ এ রূপান্তর করে থাকেন তাহলে সেটি আজীবন আপনার ডিভাইসে
থেকে যাবে। তারপরও আপনি যদি কখনো এটিকে ইন্সটল করতে চান তাহলে আপনার ডিভাইসে উক্ত
অ্যাপের ফাইলটিকে রুট করে আনইন্সটল করতে হবে। মাঝে মাঝে আমাদের ডিভাইসটি কোন
কারনে খারাপ হয়ে যায় নষ্ট হয়ে যায় তখন আমাদের ডিভাইসে অনেক কিছু হারিয়ে যায়
বা নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু সিস্টেম অ্যাপ কখনো নষ্ট হবে না বা আনইন্সটল হবে
না যদি আপনি না করেন। এজন্য এটির চাহিদা অনেক।
আরও পড়ুনঃ অনলাইন ফ্রি ইনকামের সেরা ১০ টি উপায়
আমাদের সবার ফোনেই ক্যামেরা বা ফাইল ম্যানেজার মিউজিক প্লেয়ার ইত্যাদি
অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে।এগুলো হচ্ছে সিস্টেম অ্যাপ। আপনি যতবারই ফোনকে রিবুট
করেন না কেন রিসেট করেন না কেন তাও উক্ত অ্যাপগুলি আপনার মোবাইল ফোনে থেকে
যাবে। তোর সিস্টেমে এটি একটি ভালো সুবিধা যে এটি সহজে নষ্ট হবে না হারিয়ে
যাবে না। আপনি চাইলে সারা জীবন এটাকে ব্যবহার করতে পারবেন।ব্যবহার করা হয়
স্মুথলি সে অ্যাপ্লিকেশনটিকে রান করানোর জন্য। এটার জন্য মূলত এর চাহিদা
অনেক।
সিস্টেম আপডেট দুই ধরনের। এক হলো সিস্টেম অ্যাপস system signature দিয়ে
সাইন করা থাকে। যা আপনি চাইলে ইনস্টল বা ডিজেবল ও করতে পারবেন না। দ্বিতীয়
হলো যেটি আপনি রুট করে আন ইন্সটল করতে পারবেন। সিস্টেম অ্যাপ অনেক
স্মুথলি কাজ করে। এজন্য গ্রাহকরা যেকোনো অ্যাপ্লিকেশনকে সিস্টেম অ্যাপ এ
রূপান্তর করতে চাই। তাই আপনি যদি সিস্টেম অ্যাপ ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে
আজই আপনার যে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন আপনি সিস্টেম অ্যাপ এ রূপান্তর করে
ব্যবহার করুন। অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ
ইনস্টল, করে নিন।
থার্ড পার্টি অ্যাপ কেন ঝুঁকিপূর্ণ
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে অনেক সুবিধা পাওয়া
যায়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।কিছু কিছু অ্যাপ্লিকেশন
থাকে যেগুলো আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করলে আপনার ডিভাইসটি ম্যালওয়ার আক্রান্ত হতে
পারে।যার ফলে আপনার ডিভাইসটি স্লো হয়ে যাবে এবং মাঝে মাঝে হ্যাং করবে। তাই
সকল থার্ড পার্টি অ্যাপ ইন্সটল করার আগে ভালো মতন যাচাই করে নিবেন। কেননা সব
ধরনের থার্ড পার্টি অ্যাপ নিরাপদ নয়। বিশেষজ্ঞের মতে গুগল প্লে স্টোর
ব্যতীত অন্য সাইট থেকে অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে ইন্সটল করলে মেলওয়ারের সম্ভাবনা
৫০ গুণ। সুতরাং বুঝতে পারছেন তারপরে অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার আগে ভালো মতন
বুঝে শুনে করতে হবে।
তৎকালীন সময়ে আমরা যে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ ইন্সটল করে সেটিকে সিস্টেম অ্যাপ এ
রূপান্তর করে খুব সহজে স্মুদলি ব্যবহার করে থাকে। তবে বেশিরভাগ সময় আমরা
আসলে জানিও না যে উক্ত একটি আমাদের ডিভাইসের জন্য ক্ষতিকর। কারণ সব ধরনের
থার্ড পার্টি অ্যাপ ইউজ করা যাবে না।কারণ কিছু কিছু থার্ড পার্টি অ্যাপ রয়েছে
যেগুলো ইনস্টল এর মধ্য দিয়ে আপনার ডিভাইসটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বুঝতে পারছেন
আপনার ডিভাইসটি একবার ভাইরাস আক্রান্ত হলে ডিভাইসের পারফরম্যান্স ডাউন হয়ে
যাবে। পরবর্তীতে ডিভাইসটি নষ্টও হয়ে যেতে পারে।
আমরা অনেকেই অনলাইনে বেটিং করে থাকি। যেটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ব্যাটিং
অ্যাপ্লিকেশনগুলো আমরা থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে ডাউনলোড করে থাকি, এবং
অনায়াসে ই ব্যবহার করে থাকি।এগুলো আমাদের ডিভাইসের জন্য ক্ষতিকর। কেননা
উক্ত অ্যাপ্লিকেশন গুলো আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য অনেক
ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলো অ্যাপ্লিকেশন থেকে অনেক ভাইরাস বা মে
লোয়ার ছড়ায়।যেটি আপনাদের ডিভাইসকে সচল থেকে অচল বানিয়ে দিতে
সক্ষম। সুতরাং যে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের পূর্বে ভালো মতন
যাচাই করে নিয়ে ব্যবহার করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ গেম খেলে ফিতে টাকা ইনকাম করুন
শেষ কথা (অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল)
অ্যান্ড্রয়েডে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করা নিয়ে
আশা করি আর কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে না। কেননা উপরের বর্ণনায় খুব সুন্দর
করে বলা হয়েছে যে একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপকে কিভাবে
সিস্টেম অ্যাপ এ রূপান্তর করতে হয়। উপর দেখানো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি
খুব সহজেই যে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ এ কনভার্ট করতে পারবেন যেটা
সম্পূর্ণ ফ্রি। তৎকালীন সময়ে এসে কোন কিছুই ফ্রিতে পাওয়া যায় না সব কিছুর
জন্য কিছু না কিছু ব্যয় করতে হয় কিন্তু আপনি এটি করার জন্য কোন প্রকার অর্থ
ব্যয় করা লাগবে না।
মানুষ অ্যান্ড্রয়েডে যেকোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ কে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার
করে কারণ সে চায় অ্যাপ টিকে স্মুথলি চালাতে। সিস্টেম অ্যাপ দুই ধরনের হয়ে
থাকে। একটি যেটি সিস্টেম অ্যাপ এর সিগনেচার অনুযায়ী সাইন করা থাকে। অপরটি যা
আপনি আপনার ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আনইন্সটল করতে পারবেন। কিছু কিছু
সিস্টেম অ্যাপ আছে যেগুলো আপনি আনইন্সটল করলে আপনার ডিভাইসে কিছু প্রবলেম দেখা
দিবে যেমন ডিভাইসটি স্লো হয়ে যাবে মাঝে মাঝে হ্যাং করবে।আবার কিছু কিছু সিস্টেম
আছে প্রবলেম হয় না। উক্ত আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে অবশ্যই
শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।



জীবন মিডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url