আমার বিয়ে কবে হবে

জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবেআমার বিয়ে কবে হবে? আমরা অনেকেই এই প্রস্ন করে থাকি গুগলে এসে। কারন আমাদের সবারি অনেক কৌতূহল থাকে বিয়ে নিয়ে। যে আমাদের বিয়েটা আসলে কখন হবে। এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের বলব যে আপনার বিয়ে কখন হবে।

আমার-বিয়ে-কবে-হবে


একদিন না একদিন তো বিয়ে সবাইকেই করতে হবে। কিন্তু এই যে আমাদের বিয়েটা আসলে কবে হবে বা এখনও হচ্ছে না কেন বা আদও আমাদের বিয়েটা হবে কি না এইসব বিষয় নিয়ে আমাদের মনে নানান চিন্তা আসে। আসুন নিচের আর্টিকেল টি পরে জেনে নেই যে আমার বিয়ে কবে হবে।

পেজ সুচিপত্রঃ আমার বিয়ে কবে হবে

আমার বিয়ে কবে হবে

আমার বিয়ে কবে হবে, এই বিষয় টা জানতে কে না চাই। আমরা সবাই এই বিষয়টা নিয়ে অনেক আগ্রহী থাকি। কারন বিয়ে করা টা আবশ্যিক। সকলের জীবনেই বিয়ে করা টা জরুরী। আমরা জারা মনে করি আমাদের জীবন বিয়ে ছারাও চলবে। এটা একদমই ভুল। কেননা জীবনের একটা সময়ে গিয়ে আমাদের একজন সঙ্গির প্রয়োজন হয়। কারন তখন আমরা আমাদের দায়িত্ব নিতে পারি না। আমাদের দেখভাল করার জন্য, সেবা করার জন্য একজন সঙ্গির প্রয়োজন হয়। তাই আমাদের সবার বিয়ে করা ুউচিত। কিন্তু এই বিয়েটা কখন হবে, কিভাবে হবে, কার সাথে হবে? এই বিষয় গুল আগে থেকে যদি জানা জায় তাহলে অনেক ভাল হয়।

জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। আমাদের বিয়ে কখন হবে কার সাথে হবে কিভাবে হবে এগুলো সব আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। আমাদের উপরওয়ালা আগে থেকেই সব ঠিক করে রাখেন। আমাদের বিয়ে কখন হবে কবে এই বিষয়টা জানার জন্য কোন মেশিন আজ অবদি আবিষ্কৃত হয়নি। এজন্য কখনো এক্সাক্টলি আপনার বিয়ে কপি হবে এর সঠিক বিবরণ কেউ দিতে পারবে না তবে কিছুটা ধারণা বা অনুমান করা যেতে পারে যে আপনার বিয়ে কখন হবে কিভাবে হবে কার সাথে হবে। অনুমানটি আসলে কোথা থেকে করা হয়? যেমন আপনার হাতের রেখার ম্যারেজ লাইন থেকে অথবা নিউমারোলজি প্রেডিকশন থেকে। 
উক্ত জায়গা গুলো থেকে অনুমান করা যায় যে আপনার বিয়ে কোন সময়ের মধ্যে হইতে পারে। কিন্তু একবারে সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ আপনার বিয়ে কখন হবে কোথায় হবে কিভাবে হবে কার সাথে হবে এগুলো সব আপনার উপরওয়ালা আগে থেকে ঠিক করে রেখেছেন এবং তিনিই একমাত্র যিনি এই উত্তরটা জানেন। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা বিয়ের জন্য অনেক উতোলা থাকে। আবার কিছু কিছু মানুষ আছে যারা বিয়ে নিয়ে তেমন সিরিয়াস না। তো যারা বিশেষ করে বিয়ে নিয়ে অনেক উতোলা থাকে তারা খুব করে জানতে চাই তাদের বিয়েটা কবে হবে। এবং তারা এদিক ওদিক ছুটে বেড়ায় এটা জানার জন্য যে তাদের বিয়েটা কবে হবে। আসুন সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে বিয়ে নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান এবং সঠিক তথ্য জেনে নেয়।

কত বছর বয়সে আমার বিয়ে হবে

বিয়ে সম্পূর্ণ উপরওয়ালার হাতে। বিয়ে কখন হবে কিভাবে হবে তা উপরওয়ালাই ভালো জানেন। তবে আমরা কিছুটা অনুমান করতে পারি বা ধারণা করে বলতে পারি যে আনুমানিক কত বছর বয়সে বিয়ে হবে। আমরা সাধারণত ধারণা করে থাকি আমাদের হাতের ম্যারেজ লাইন রেখার উপর। যেটাকে অনেকে জ্যোতিষ নিয়ম বলে থাকে। আসুন আমাদের হাতের ম্যারেজ লাইন রেখা দেখে জেনে নেয় কত বছর বয়সে আপনার বিয়ে হতে পারে।

বিয়ে হতে অনেক দেরি আছে এটা বুঝার জন্য দেখতে হবে বিবাহ রেখা যদি আপনার হাতের মধ্যে কনিষ্ঠা ঘেঁষে থাকে এবং খুব ছোট হয় তাহলে আপনার বিয়ে হতে অনেক দেরি হবে। তবে এর ঠিক উল্টোটি যেমন আপনার হাতের বিবাহ রেখা যদি হাতের মধ্যে কনিষ্ঠা ঘেঁষে না থাকে এবং খুব ছোট না হয় তাহলে আপনার বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে এটা আশা করা যায়। সুতরাং বুঝতে পারছেন যে বিবাহ রেখা যদি কনিষ্ঠা ঘেঁষে এবং ছোট থাকে তাহলে আপনার বিয়ে হতে অনেক দেরি হবে এবং যদি কনিষ্ঠা ঘেঁষে না থাকে এবং খুব ছোট না হয় তাহলে বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।

এখানে একজ্যাক্টলি বয়স বলা সম্ভব নয় তবে অনুমান করে বলা যেতে পারে যে বিয়ে খুব দ্রুত হবে অথবা বিয়ে হতে অনেক দেরি আছে। আগে স্টাবলিশ হবে তারপরে বিয়ে হবে। ওভাবে পারফেক্টলি কোন বয়স বলা সম্ভব না। তবে বয়স সীমা উল্লেখ করা যেতে পারে। যেমন ১৮ থেকে ২০ বছর বা ২২ বছর। আর দেরি হলে .২৫ থেকে ৩০ বছর বা ৩২ বছর এমন। এই যে এরকম একটা বয়সের লিমিটেশন দেওয়া যায় সর্বোচ্চ ওভাবে এক্সাক্টলি বলা যায় না। তবে কিছু কিছু ব্যতিক্রমও হতে পারে। 

আমার কার সাথে বিয়ে হবে

জন্মতারিখ অনুযায়ী জানা যায় যে আমাদের বিয়ে আসলে কার সাথে হবে। আমাদের জন্ম তারিখ অনুযায়ী আমরা একটু মূলাঙ্কের অন্তর্ভুক্ত হই এবং জানতে পারি যে আমাদের বিয়ে কিভাবে হবে এবং কেমন প্রকৃতির মানুষের সাথে হবে। যদি আমাদের জন্ম ১, ১০,১৯ বা ২৮ তারিখে হয় তাহলে আমরা মূলাঙ্ক এক এর অন্তর্ভুক্ত। এই মুলাঙ্কের জাতকদের প্রেম করে বিয়ে করা একটু কঠিন। এদের জীবনে সহজে প্রেম আসে না। যদি একবার প্রেম চলে আসে তাহলে এরা সেটা বিয়ে অবদি নিয়ে যায়। এরা অনেক লাজুক প্রকৃতির। এরা এদের জীবনসঙ্গিনীকে সবকিছু মনে করেন এবং নিজের বিবাহিত জীবন নিয়ে অনেক সন্তুষ্ট থাকেন। জীবনসঙ্গিনী এদের মন মত জীবনসঙ্গিনী পেয়ে থাকেন।

জাদের জন্ম ২, ১১, ২০ বা ২৯ তারিখে তারা সাধারনত মুলাঙ্ক ২ এর অন্তর্ভুক্ত। ভয়ঙ্কর ২ এর জাতকরা অনেক মোদী এবং সংবেদনশীল হয়ে থাকেন। এরা আবেগপ্রবণ সম্পর্কে জড়াতে বেশি ভালোবাসেন।সুতরাং এদের প্রেম করে বিয়ে করা সম্ভাবনা অনেক বেশি এরা এদের জীবন সঙ্গিনী অনেক ভালোবেসে থাকেন এবং বৈবাহিক জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন। যাদের জন্ম ৩, ১২, ২১ বা ৩০ তারিখে তারা সাধারনত মুলাঙ্ক ৩ এর অন্তর্ভুক্ত। এই মলনকে জাতকরা নিজের চলাচল করেন। অতটাও রোমান্টিক হন না এজন্য এদের প্রেম করে বিয়ে করা সম্ভাবনা অনেক কম। জাদের জন্ম ৪, ১৩, ২২ বা ৩১ তারিখে তারা সাধারনত মুলাঙ্ক ৪ এর অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত পৃথক বৈশিষ্ট্যের হয়ে থাকেন।
এরা সাধারণত রাখি স্বভাবের হয়ে থাকেন নিজের জীবন সঙ্গিনীকে তেমন প্রাধান্য দেন না তবে বিয়েরা প্রেম করে করেন তবে এদের বেশি দিন টিকে না। বিয়ের পরেও এরা পরকীয়া যুক্ত হতে পারে। জাদের জন্ম ৫, ১৪ বা ২৩ তারিখে তারা সাধারনত মুলাঙ্ক ৫ এর অন্তর্ভুক্ত। এরা সাধারণত বিয়ে করে থাকেন নিজের পরিবারের পছন্দ অনুযায়ী। কারণ এরা নিজেদের পরম্পরাকে বেশি প্রাধান্য দেয়। জাদের জন্ম ৬, ১৫ বা ২৪ তারিখে তারা মুলাঙ্ক ৬ এর অন্তর্ভুক্ত। এরা নিজের জীবন সঙ্গিনীকে বেশি প্রাধান্য দেয় এবং তাদের সাথে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলার কারণে এদের প্রেম করে বিয়ে হয়। এরা বেশ রোমান্টিক হয়ে থাকে।

জাদের জন্ম ৭, ১৬ বা ২৫ তারিখে তারা সাধারনত মুলাঙ্ক ৭ এর অন্তভুক্ত। এই মুলাঙ্কের জাতকরা এদের পার্টনারকে ভালোবাসা দিয়ে ভরাই দেন যদি তার মন মত পার্টনার পায়। এরা ওভারথিংকিং করে থাকে এরা অনেক লাজুক প্রকৃত হয়ে থাকে এবং শান্তিতে থাকতে বেশি ভালোবাসেন নিজের পরিবারকে প্রাধান্য দেন এবং নিজের পরিবার ও পার্টনার কে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে চান। জাদের জন্ম ৮, ১৭ বা ২৬ তারিখে তারা সাধারনত মুলাঙ্ক ৮ এর অন্তর্ভুক্ত। এই মুলাঙ্কের জাতকরা নিজেদের মন মর্জি চলাফেরা করেন। নিজের জীবন সঙ্গিনীকে খুশি করতে অনেক কিছু করে থাকেন এবং এরা সাধারণত নিজেদের বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

জাদের জন্ম ৯, ১৮ বা ২৭ তারিখে তারা সাধারনত মুলাঙ্ক ৯ এর অন্তর্ভুক্ত। এই মুলাঙ্কের জাতকরা সাধারণত অনেক স্ট্রেট ফরওয়ার্ড হয়ে থাকেন। খোলামেলা এবং সোজাসাপ্টা কথা বলতে বেশি ভালোবাসেন। এদের জীবনে প্রেম আসলেও টিকে না আবার প্রেম চলে যায় যার ফলে এদের লাভ ম্যারেজ হওয়ার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে বা অনেক কম। এরা অনেক আবেগপ্রবণ হয়ে থাকেন তবে এরা তা দেখা না এদের ভিতরেই সেটা লুকিয়ে রাখেন।মূলত এই ছিল ১ থেকে ৯ অবধি মুলাঙ্কের সকল জাতকদের বৈশিষ্ট্য এবং কিভাবে বিয়ে তা অনুমান করা। আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী আপনি অনায়াসেই জেনে নিতে পারবেন যে আপনার জীবনসঙ্গিনী কেমন হবে।

একের অধিক বিয়ে বুঝার উপায়

একের অধিক বিয়ে বুঝার উপায় হল যদি হাতের মধ্যে বিবাহ রেখা অধিক পরিমাণে থাকে তাহলে বুঝতে হবে যে ঐ ব্যক্তির আগের অধিক বিবাহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার বিয়ে খুব বেশি টিকবে না। সহজে ভেঙে যাবে। এবং বারবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবে। ম্যারেজ লাইন রেখা দ্বারা আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি যে আমাদের একটি বিবাহ হবে নাকি একে অধিক বিবাহ হবে। আমরা শুধু অনুমান বা ধারণা করতে পারি বাকিটা উপরওয়ালার ইচ্ছা। কারণ আমাদের বিয়ের জন্য মৃত্যু সবকিছুই উপরওয়ালার হাতে। তিনিই ভাল জানেন যে আমাদের কয়টি বিয়ে হবে। আমরা তো শুধু অনুমান করতে পারব বা একটু ধারণা করতে পারব আর কি।
আমার-বিয়ে-কবে-হবে
আমরা আগেই বলেছিলাম জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে সবি উপরওয়ালার ইচ্ছায় হয়ে থাকে। এখানে আমদের কোন হাত নেই। আমরা তার নিকট প্রার্থনা করতে পারি যে আপনি আমার বিবাহটা অতি দ্রুত করে দিন বা একজন ভালো জীবনসঙ্গিনী বেছে দিন যে আমার জীবনটা সুন্দর করে দিন। আমাদের প্রার্থনা যদি কবুল হয় তাহলে আমরা আমাদের প্রার্থনা অনুযায়ী সবকিছু পেয়ে যাব। তাছাড়া আমরা হাতের ম্যারেজ লাইন রেখা অনুযায়ী শুধু অনুমান করতে পারি যে আমাদের আসলে কয়টা বিয়ে হবে বাকিটা উপরওয়ালার ইচ্ছা।

বিবাহিত জীবন কেমন হবে

উপরে বলা হয়েছে যে মুলাঙ্ক অনুযায়ী বিবাহ কিভাবে হবে, কার সাথে হবে এবং জীবন সঙ্গিনী কেমন হবে। আমরা আমাদের হাতের মাঋগে লাইন দেখে অনুমান করতে পারি যে আমাদের বিবাহ জীবন কেমন হবে। আমাদের বিহাহ জীবন কি সুখের হবে নাকি কষ্টের হবে। যেমন বিবাহরেখা যদি সাভাবিক না হয়ে শিকলের মত হয় তাহলে বিবাহ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। এবং হলেও ভাল হবে না বিবাহ জীবন। সবার বিবাহ জীবন সুন্দর হয় না। কারো বিবাহিত জীবন অনেক সুন্দর হয়। আবার কারো বিবাহিত জীবন খারাপ হয়, কষ্টের হয়। সবার বিবাহিত জীবনে সান্তি থাকে না। তো এই সমস্থ কিছু আমাদের বিবাহিত জীবন কেমন হবে আমরা এগুল জানতে পারব আমাদের হাতের ম্যারেজ লাইন রেখা দ্বারা।

আমরা সাধারনত সবায় চায় যে আমদের বিবাহিত জীবন সুন্দর হোক। কারন বিবাহিত জীবন সুখের হলে পড়ে জীবনে শান্তি নেমে আসে। জীবন টা ফুলের বাগিচার মত সুন্দর হয়ে যায়। অপ্রদিকে যদি জীবনে বিবাহিত জীবন সুখের না হয়, শান্তির না হয় তাহলে জবন একদম শেষ। জীবনে শান্তি নামের জিনিষটা হারিয়ে যায়। এজন্নে বিবাহিত জীবন শান্তির হওয়ার প্রয়োজন অনেক। আমাদের আসেপাসে কোন জ্যোতিষকে হাত দেখিয়ে আমাদের হাতের ম্যারেজ লাইন রেখার দ্বারা অই জ্যোতিষ আপনাকে বলে দিবে যে আপনার বিবাহিত জীবন সুখের হবে না কষ্টের। সুতরাং দেরি না করে আজই জেনে নিন আপনার বিবাহিত জীবন কেমন হবে।

বিবাহিত জীবনে বিচ্ছেদ ঘটবে কিনা তা বুঝার উপায়

বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন। আর এই বন্ধন থেকে বিচ্ছেদ হওয়া আসলেই দুঃখজনক। যদি ঐরকম মেজর কোন প্রবলেম না হয় তাহলে আমরা এটা এরিয়ে চলব। যদি খুবই দরকার না হয় তাহলে আমরা এটা করবনা অর্থাৎ বিচ্ছেদ করবনা। যদি দরকার হয় খুবি, আর মেজর প্রব্লেম হয়ে যায় তাহলে এটা করা যাবে সমস্যা নাই। জীবনে কখন কি হবে সবই উপরওয়ালার ইচ্ছা। তিনিই ভাল জানেন যে আমাদের জন্য ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করছে। আমরা আমাদের হাতের ম্যানেজমেন্ট রেখা দেখে শুধু অনুমান বা ধারণা করতে পারি যে আমাদের জীবনে বিবাহিত জীবন এ বিচ্ছেদ হবে কি না।

আমাদের হাতে সবারই একটি বিবাহ রেখা রয়েছে। এই রেখাটি যদি বুড়ো আঙ্গুলের নিজের কোন রেখার দ্বারা কাটা পড়ে বা কোন রেখা যদি বুড়ো আঙ্গুলের নিচ থেকে শুরু হয়েছে সেটি যদি আমাদের হাতের বিবাহ রেখাটি কে যায় কর্তন করে তাহলে আমাদের বিবাহ জীবনের বিচ্ছেদের সম্ভাবনা রয়েছে। এটা দেখে আমরা বুঝতে পারি যে আমাদের জীবনে বিবাহিত জীবনে বিচ্ছেদ হবে কিনা। আমাদের কারো হাতে যদি এমন রেখা দেখা যায় তাহলে তার বিবাহিত জীবনে বিচ্ছেদ হবে। আর যদি দেখা না যায় তাহলে বিচ্ছেদ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। 

Numerology Prediction অনুযায়ী বিয়ে কবে হবে

বিবাহ আমাদের জীবনে একটি আবশ্যিক করণীয় বিষয়। আমাদের সবাইকে এ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হয়।এজন্য প্রায়ই সবার মধ্যেই বিয়ে নিয়ে অনেক কৌতুহল এবং আগ্রহ থাকে। ব্যক্তির নাম এ প্রথম অক্ষর অনুযায়ী আমরা তার বৈবাহিক জীবনের ভবিষ্যদানি করতে পারি। ব্যক্তির নামে প্রথম অক্ষর অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ ব্যক্তির নামে প্রথম অক্ষর অনুযায়ী তার স্বভাব গুণ ইত্যাদি বিষয় জানা যায়।আবার এর দ্বারা বৈবাহিক জীবনের ধারণা পাওয়া যায়। তো বুঝতে পারছেন ব্যক্তির নামের গুরুত্ব কতটুকু। ব্যক্তির নামের প্রথম অক্ষর অনুযায়ী তার বৈবাহিক জীবনের ধারণা দেওয়াকে নিউমারোলজি প্রেডিকশন বলে।

ব্যক্তির নামের প্রথম সংখ্যা জেনে সংখ্যা যদি অনুযায়ী তার জীবনসঙ্গিনীর নামের প্রথম অক্ষর কি হবে তা সহজে উপলব্ধি করা যায়। তার বিবাহ কবে হবে এই বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায়। তার বৈবাহিক জীবন কেমন কাটবে এ বিষয়ে একটি সূক্ষ্ম ধারনা আমরা পেয়ে থাকি। মূলত এটি আমরা অনুমান করে থাকি সংখ্যা জ্যোতিষ এর নিয়ম অনুযায়ী। বিষয়টি অনেক রোমাঞ্চকর না? যে আপনার নামের প্রথম অক্ষর থেকে আপনি সহজেই জানতে পারবেন যে আপনার জীবন সঙ্গিনী নামের প্রথম অক্ষর কি হবে।আসুন নিজের অংশটুকু পড়ে জেনে নেই যে আপনার জীবন সঙ্গিনীর নামের প্রথম অক্ষর এবং আপনার বিবাহ কবে হবে এবং আপনার বই তাই জীবন কেমন কাটবে।

নামের প্রথম অক্ষর অনুযায়ী বিয়ে কার সাথে হবে

আপনার নামের প্রথম অক্ষর অনুযায়ী আপনি অতি সহজেই জেনে নিতে পারবেন যে আপনার জীবন সঙ্গিনীর নামের প্রথম অক্ষর কি হবে। আপনার নামের প্রথম অক্ষর যদি A, T, K, P, L হয়ে থাকে তাহলে সংখ্যা জ্যোতিষ অনুযায়ী আপনার জীবনসঙ্গিনী নামের প্রথম অক্ষর P ও K হতে পারে। এই অক্ষরের জাতকরা নিজের পরিবারকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।এদের বিয়ের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে না কেউ কেউ রয়েছে অতি দ্রুত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যায়। আবার কেউ কেউ বিয়ে করতে একটু সময় নিয়ে থাকেন। এদের কোন কিছু বুঝতে একটু সময় লাগে। সহজে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন না।সবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। এদের উদ্দেশ্যে থাকে পরিবারকে হাসিখুশি রাখা।

আপনার নামের প্রথম অক্ষর যদি B, M, J, V, Y হয়ে থাকে তাহলে সংখ্যা জ্যোতিষ অনুযায়ী আপনার বিবাহ হবার সম্ভাবনা থাকে R দিয়ে নাম শুরু  এমন জীবনসঙ্গিনীর সাথে। এই জাতকরা খুব চিন্তা ভাবনা করে ঠান্ডা মাথায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। তারা জীবনে সফলতার জন্য অনেক পরিশ্রম করে থাকেন। এরা এদের আশেপাশের মানুষকে খুশি রাখার সম্পূর্ণ চেষ্টা করে থাকেন। এরা সব সময় অনেক সৎ থাকার চেষ্টা করেন। তবে এদের ভালোবাসায় প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই রাশির জাতকরা তাদের জীবনে হাসিখুশি থেকে থাকেন। বলতে গেলে এ রাশিযাতকরা অনেক পরিশ্রমী হয়ে থাকেন।এবং পিতা-মাতাকে অনেক সম্মান করে থাকেন।

আপনার নামের প্রথম অক্ষর যদি D, N, G, R, E, S হয়ে থাকে তাহলে সংখ্যা যদি সে নিয়ম অনুযায়ী যাদের নাম K দিয়ে শুরু হয় তাদের সাথে বিবাহ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই রাশির জাতকরা অনেক দায়িত্ববান হয়ে থাকেন। এরা এদের জীবনসঙ্গিনীকে অনেক অনেক ভালোবেসে থাকেন। এরা নিজেদের কাজে অটুট পরিশ্রমী হয়ে থাকেন এবং সফলতার মুখ দেখে তারপরে থামেন। তার আগে নয়। এরা নিজেদের পছন্দের মানুষকে বিয়ে করে থাকে। আপনি যদি এই রাশি জাতক হয়ে থাকেন তাহলে আপনার মধ্যে উক্ত বৈশিষ্ট্য গুলো থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই রাশি জাতকরা একটু গম্ভীর প্রকৃতির হয়ে থাকেন এবং সংবেদনশীল আচরণ করে থাকেন।

আপনার নামের প্রথম অক্ষর যদি H, C, Q, O, Z হয়ে থাকে তাহলে সংখ্যা যদি অনুযায়ী যাদের নাম M ও L দিয়ে শুরু হয় তাদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এই রাশি জাতকরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী খুব কম হয়ে থাকেন। অধিকাংশ সময় অসুস্থতার মধ্য দিয়ে যান। তবেদের আর্থিক অবস্থা অনেক সচ্ছল থাকে। এরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে একটু সময় নিয়ে থাকেন আগে নিজের পায়ে দাঁড়ান তারপরে বিবাহ করেন। এরা এদের লক্ষ্যের উপর গভীর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে থাকেন। মূলত এই বৈশিষ্ট্য গুলোই এই রাশির জাতকের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।

কোন সময়ে বিয়ে হলে ভাল হয়

আসলে আমাদের বিয়ের উপযুক্ত সময় আমাদের উপরওয়ালা ভালো জানেন। তিনি সব আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছেন। আমরা আমরা শুধুমাত্র তার ইশারে চলে থাকি। আমাদের কোন সময় বিয়ে হলে ভালো হবে এটা জানার জন্য আমাদের হাতের ম্যারেজ লাইন রেখা দেখতে হবে। আমাদের হাতের ম্যারেজ লাইন রেখা দেখলে আমরা বুঝতে পারবো যে আমাদের কোন সময়ে বিয়ে হবে এবং ভালো সময় হবে না খারাপ সময় হবে। 
আমার-বিয়ে-কবে-হবে
বিশেষজ্ঞের মতে ২৫ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে বিয়ে করা উত্তম। নিজের পায়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে কোন একজনের দায়িত্ব নেওয়াটা উত্তম। ২৫ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে আশা করা যায় আমাদের পায়ের নিজের তলার মাটি আমরা মজবুত করে ফেলি। এটা করার পর আমাদের বিয়ে করা ভালো। তাহলে সংসার জীবনে সুন্দর হয় এবং সংসারে কোন অভাব হয় না। বৈবাহিক জীবন সুন্দর হয়। তবে বেশি দেরি করা উচিত না ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যেই বিয়ে করাই সবচেয়ে বেশি ভালো। কারণ এই সময়ে একটি মানুষ মানসিকতার শারীরিক দুই ভাবেই পরিপক্ক থাকে। এজন্য এই সময়টাকে বিয়ের উপযুক্ত সময় বলা হয়। আশা করি বিষয়টা বুঝতে পারছেন।

বিবাহিত জীবনে সকল সমস্যার সমাধান

অনেকের বিবাহিত জীবন নিয়ে অনেক সমস্যা দেখা দেয়। বিবাহিত জীবনে অশান্তি হলে তার জীবন শেষ। জীবন থেকে শান্তি নামের জিনিসটা হারিয়ে যায়। আবার যাদের বৈবাহিক জীবন অনেক সুখের হয় তারা পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। কেননা মানুষের সুখ শান্তি নির্ভর করছে তাদের জীবনসঙ্গীনের উপরে এবং বৈবাহিক জীবনের উপরে। তাদের জীবনসঙ্গিনী যদি খারাপ হয় তাহলে বৈবাহিক জীবন্ত অটোমেটিক খারাপ হয়ে যাবে। এজন্য বিবাহিত জীবনে সুখে থাকতে হলে একজন ভালো জীবনসঙ্গিনী বাছাই করতে হবে এবং তার সাথে হেসে খেলে থাকতে হবে।

বিবাহিত জীবন অতিবাহিত করতে হলে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় যেমন বউয়ের অশান্তি ঝামেলা তর্ক করা কটু কথা বলা ফ্যামিলিতে বউকে নিয়ে সমস্যা। এমন নানান ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। এ সব ধরনের সমস্যার সমাধান করতে হলে আপনাকে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে সবকিছু বিবেচনা করতে হবে। এবং আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে এটা আপনাকে মেনে নিতে হবে যে আপনার জীবনে কারো গুরুত্বই কম নয়। না ফ্যামিলির না আপনার পার্টনারের। দুজনকে সমান প্রাধান্য দিতে হবে এবং এভাবে তাল মিলিয়ে আপনাকে চলতে হবে। আপনি এভাবে তাল মিলিয়ে চলতে পারলে আপনি শান্তিতে থাকবেন সুখে থাকবেন।

জীবনে চলার পথে একজন ভালো জীবনসঙ্গিনী যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলে বোঝানোর মত না। আপনি জীবনটা বাস্তবে স্বর্গের মতো সুন্দর হয়ে যাবে যদি আপনার জীবন সঙ্গিনী ভালো হয়। আর যদি আপনার জীবন সঙ্গিনী খারাপ হয় তাহলে আপনার বাস্তব জীবনে আপনি নরকের অনুভূতি পাবেন। আপনার জীবনটা তছনছ হয়ে যাবে। আপনাকে এজন্য একজন ভালো জীবন সঙ্গিনী বাছাই করে বিয়ে করতে হবে। আমরা আসলে সঠিকভাবে মানুষকে চিনতে পারি না মনে করি এই আমার জীবনের জন্য সঠিক কিন্তু পরে যাই আফসোস করি যে আসলেই সঠিক না, ভুল। এজন্য বলি কি যা করবেন একটু ভেবেচিন্তে করবেন। জীবন তো একটাই।

শেষ কথা (আমার বিয়ে কবে হবে)

আমার বিয়ে কবে হবে? আমাদের সবার মুখে প্রায় এই বলিটা লেগেই থাকে। আমরা সবাই এ বিষয়টা নিয়ে এত এত কৌতুহলী যে যদি আমরা জানতে পারি আমাদের বিয়েটা কবে হবে তাহলে হয়তো আমাদের অনেক ভালো লাগতো। উপরের বর্ণিত আলোচনায় আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি যে (আমার কত বছর বয়সে বিয়ে হবে), (আমার কখন বিয়ে হবে), (আমার জীবন সঙ্গিনী কেমন হবে) ইত্যাদি। আমার কত বছর বয়সে বিয়ে হবে, এটা আমরা সবাই জানতে চাই। উপরের আলোচনায় আমরা সঠিকভাবে বলেছি যে আপনার কখন বিয়ে হবে। কত বছরের মধ্যে বিয়ে করলে ভালো হয়।

বিয়ের জিনিসটা তো আসলে আমাদের হাতে নেই। এটা সম্পূর্ণ উপরওয়ালার ইচ্ছা উপরওয়ালা যখন যাবেন তখনই আপনার বিয়ে হবে। তার আগেও না তার পরেও না। তবে আপনার হাতের মেরেজ লাইন রেখা অনুযায়ী আপনি শুধু ধারণা নিতে পারবেন বা অনুমান করতে পারবেন যে আপনার বিয়ে আনুমানিক কোন সময়ে এবং কার সাথে হতে পারে। এবং আপনার জীবন সঙ্গিনী কেমন হতে পারে। তাছাড়া বাকিটা উপরওয়ালার ইচ্ছা। এজন্য কথায় আছে যে জন্ম মৃত্যু বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। উপরের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ ধারণা এবং অনুমানের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অবশ্যই আর্টিকেলটি অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জীবন মিডিয়ার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Fashiur Rahman Jibon
Md. Fashiur Rahman Jibon
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও জীবন মিডিয়া ব্লগের এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।